বিশ্বের ধনকুবেরদের লড়াইয়ে এক নাটকীয় মোড়! রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে ফের এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির আসন দখল করলেন গৌতম আদানি। ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার্স ইনডেক্সের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আদানি গোষ্ঠীর সুপ্রিমোর মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৯,২৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে তিনি কেবল এশিয়ার শীর্ষস্থানেই উঠে আসেননি, বরং বিশ্বজুড়ে অতি-ধনীদের তালিকায় ১৯তম স্থানটি নিজের দখলে নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এশিয়ার এক নম্বর ধনকুবেরের তকমা ধরে রাখা মুকেশ আম্বানি এখন ৯০,৮০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নেমে গিয়েছেন।২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এই দুই শিল্পপতির ভাগ্যের পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে শেয়ার বাজারের ভিন্নধর্মী পারফরম্যান্স। চলতি বছরে গৌতম আদানির সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৮১০ কোটি ডলার, যেখানে মুকেশ আম্বানির সম্পদ কমেছে প্রায় ১,৬৯০ কোটি ডলার। মূলত রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের শেয়ারের ওঠানামা এবং আদানি গোষ্ঠীর বিভিন্ন শেয়ারের অভাবনীয় উন্নতির ফলেই সম্পদের এই ব্যবধান তৈরি হয়েছে। বিশ্ব তালিকার দিকে নজর দিলে দেখা যাচ্ছে, ২০ জন শীর্ষ ধনকুবেরের মধ্যে অন্তত ৭ জনের সম্পদ এ বছর উল্লেখ্যযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আর্নল্টের।তবে এশিয়ায় রদবদল ঘটলেও বিশ্ব তালিকায় এখনও নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন ইলন মাস্ক। প্রায় ৬৫,৬০০ কোটি ডলারের বিশাল সম্পদ নিয়ে তিনি রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাঁর পরেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ল্যারি পেজ, জেফ বেজ়োস এবং মার্ক জ়াকারবার্গের মতো মহীরুহরা। আম্বানি ও আদানির এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই বারবার প্রমাণ করছে। এখন দেখার, রিলায়েন্সের শেয়ারের ঘুরে দাঁড়ানোয় আম্বানি কি ফের নিজের হারানো মুকুট ফিরে পান, নাকি আদানি তাঁর জয়ের ধারা অব্যাহত রাখেন।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার