ভাঙড়: ভোটের ভাঙড় মানেই যেখানে বোমাবাজি আর রক্তপাতের আশঙ্কা, সেখানে বুধবারের ছবিটা ছিল একেবারে ভিন্ন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে বোমা-গুলির শব্দ না থাকায় এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারায় খুশি আইএসএফ প্রার্থী তথা স্থানীয় বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তবে এই শান্তির পরিবেশের কৃতিত্ব প্রশাসনকে দিলেও, শাসকদল তৃণমূলকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি তিনি।[TECHTARANGA-POST:8567]এদিন সকালে নিজের নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন নওশাদ। ভাঙড়ের রাজনৈতিক উত্তাপের কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশন এবার বাড়তি সতর্কতা নিয়েছিল। বিশেষ করে ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে তৃণমূল এই কেন্দ্রে প্রার্থী করার পর থেকেই ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল তুঙ্গে। কিন্তু, এদিন বিকেল পর্যন্ত বড় কোনও অশান্তির খবর না মেলায় নওশাদ বলেন, “ভাঙড়কে যে সন্ত্রাসের এলাকা হিসাবে দাগিয়ে দেওয়া হয়, আজকের ভোট প্রমাণ করল মানুষ শান্তি চায়। বোমা-গুলি ছাড়াই যে এখানে ভোট হতে পারে, তা আজ স্পষ্ট।”[TECHTARANGA-POST:8564]ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নওশাদ তৃণমূল প্রার্থীকে বিঁধে আরও বলেন, “শাসকদল ভাঙড়ে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছিল। কিন্তু, মানুষ ভয় কাটিয়ে বুথমুখী হয়েছেন। তৃণমূলের পায়ের তলায় মাটি সরে গিয়েছে। সেটা আজকের শান্ত মেজাজে ভোটদান দেখলেই বোঝা যায়।” শুধু তাই নয়, নিজের জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত নওশাদ এদিন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেন, গতবারের তুলনায় এবারের জয়ের ব্যবধান আরও কয়েক গুণ বাড়বে।[TECHTARANGA-POST:8563]অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরের পক্ষ থেকে নওশাদের এই দাবিকে ‘দিবাস্বপ্ন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। তাদের পালটা দাবি, এলাকার উন্নয়নের নিরিখেই মানুষ তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে। তবে, অভিযোগ-পালটা অভিযোগের লড়াই থাকলেও, কোনও বড় সংঘর্ষ ছাড়াই ভাঙড়ের মতো সংবেদনশীল এলাকায় ভোটগ্রহণ পর্ব মিটতে চলায় স্বস্তিতে সাধারণ ভোটাররা। বিকেলের দিকে নওশাদকে বিভিন্ন বুথে কর্মীদের মনোবল বাড়াতেও দেখা যায়।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার