Hidden Stories (বাংলা)

সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে SIR ট্রাইব্যুনাল, রিপোর্ট তলব প্রধান বিচারপতির!

নয়াদিল্লি: রাজ্যের ভোটারতালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও সরাসরি হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানছে না ট্রাইব্যুনাল - এই বিস্ফোরক অভিযোগ জমা পড়তেই নড়েচড়ে বসল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট!রাজ্যে ভোট দোরগোড়ায়। অথচ, ভোটারতালিকায় নাম তোলা বা সংশোধন নিয়ে ভোগান্তি চরমে! সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে আইনজীবী দেবদত্ত কামাত একগুচ্ছ গুরুতর অভিযোগ সামনে আনেন। তাঁর দাবি, ট্রাইব্যুনালগুলি সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে কাজ করছে না। আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সরাসরি বা অফলাইনে আবেদন জমা নেওয়া হচ্ছে না। বাধ্য করা হচ্ছে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে। এর ফলে দূর-দূরান্তের সাধারণ মানুষ চরম সমস্যায় পড়েছেন।[TECHTARANGA-POST:8183]এদিনের এই সংক্রান্ত শুনানির শুরুতে বারবার একই আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও, আইনজীবীর পেশ করা সংবাদপত্রের রিপোর্টগুলি দেখে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিচার করার আশ্বাস দেন। প্রধান বিচারপতি সাফ জানান, "আমরা আজই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে রিপোর্ট নেব।" ট্রাইব্যুনাল কেন নির্দেশ পালন করছে না, তা খতিয়ে দেখা হবে।প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট আগেই একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। সেই অনুসারে - প্রথম দফা (২৩ এপ্রিল): ট্রাইব্যুনালে ২১ এপ্রিলের মধ্যে যাঁদের নাম ছাড়পত্র পাবে, তাঁরা ২৩ তারিখ ভোট দিতে পারবেন।[TECHTARANGA-POST:8178]দ্বিতীয় দফা (২৯ এপ্রিল): ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ছাড়পত্র পাওয়া ভোটাররা ২৯ তারিখ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।অর্থাৎ, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল ছাড়পত্র না দিলে এবার আর ভোট দেওয়া সম্ভব হবে না বাংলার লক্ষ-লক্ষ ভারতীয় নাগরিকের! ঠিক এই কারণেই ট্রাইব্যুনালের কাজের শ্লথ গতি নিয়ে এত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে SIR ট্রাইব্যুনাল, রিপোর্ট তলব প্রধান বিচারপতির!

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার