25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে সংঘাত চরমে, ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ বলল পাকিস্তান!
Uncategorized

সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে সংঘাত চরমে, ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ বলল পাকিস্তান!

Share
Share

কলকাতা: সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এক নতুন মাত্রা নিল। সোমবার পাকিস্তানের জলসম্পদ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (WAPDA) চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মহম্মদ সইদ অভিযোগ করেছেন, সিন্ধুর পশ্চিমমুখী উপনদী বিতস্তা (ঝিলম) এবং চন্দ্রভাগার (চেনাব) উপর ভারতের নতুন প্রকল্পগুলি পাকিস্তানের জনগণের জন্য ‘প্রাণঘাতী’ হয়ে উঠতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:6896]

পাক আধিকারিক মহম্মদ সইদের দাবি, ভারত প্রায় ৬০০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫ লক্ষ ৪৮ হাজার কোটি টাকা) ব্যয়ে এই নদীগুলির জল ধরে রাখার বিশাল প্রকল্প শুরু করেছে। তাঁর মতে, ভারতের বর্তমান জলধারণ ক্ষমতা ১৫ দিন থেকে বেড়ে ৫৫-৬০ দিন হতে চলেছে। এর ফলে ভারত চাইলে চাষের মরসুমে জল আটকে পাকিস্তানে কৃত্রিম খরা তৈরি করতে পারে। আবার বর্ষার সময় অতিরিক্ত জল ছেড়ে দিয়ে পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করার ক্ষমতাও ভারতের হাতে চলে আসবে।

গত বছরের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার পর থেকেই সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে মোদী সরকার। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের হুমকি উপেক্ষা করেই গত ডিসেম্বরে জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারে চন্দ্রভাগার উপর ৫৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি গ্রিনফিল্ড জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে সম্মতি দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিশ্বব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় এই কাজ এগোবে বলে জানানো হয়েছে।

১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জওহরলাল নেহরু এবং আইয়ুব খানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়া সিন্ধু জলচুক্তি অনুযায়ী, পূর্ব দিকের তিনটি নদী (বিপাশা, ইরাবতী, শতদ্রু) ভারতের এবং পশ্চিমের তিনটি নদী (সিন্ধু, চন্দ্রভাগা, বিতস্তা) পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা। তবে পশ্চিমের নদীগুলি থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের অধিকার ভারতের রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিপূর্বেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সিন্ধু জলচুক্তির পুরনো শর্তগুলি আর আগের মতো কার্যকর হবে না।

বর্তমানে নয়াদিল্লির এই অনমনীয় মনোভাব এবং বড় মাপের পরিকাঠামো নির্মাণ ইসলামাবাদকে ‘চরম উদ্বেগে’র মুখে ঠেলে দিয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *