25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা সাষ্টাঙ্গে প্রণাম! ব্রিগেডের মঞ্চে জনশক্তির সামনে নুইয়ে পড়লেন মোদী, রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই কি বঙ্গ জয়ের পূর্ণতা?
কলকাতা

সাষ্টাঙ্গে প্রণাম! ব্রিগেডের মঞ্চে জনশক্তির সামনে নুইয়ে পড়লেন মোদী, রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই কি বঙ্গ জয়ের পূর্ণতা?

Share
সাষ্টাঙ্গে প্রণাম! ব্রিগেডের মঞ্চে জনশক্তির সামনে নুইয়ে পড়লেন মোদী, রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই কি বঙ্গ জয়ের পূর্ণতা?
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: ২৫ বৈশাখ, রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্য লগ্নে এক ঐতিহাসিক বিবর্তনের সাক্ষী থাকল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে বাংলার ‘জনশক্তি’র সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণামে লুটিয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! ভাষণের গর্জন নয়, বরং নীরব শ্রদ্ধার এক অনন্য ছবি এঁকে প্রধানমন্ত্রী যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে এই জয় তাঁর রাজনৈতিক জীবনে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ!

[TECHTARANGA-POST:8914]

শনিবার সকালে বিমানবন্দরে নেমে হেলিকপ্টার ও পরে হুডখোলা গাড়িতে চেপে ব্রিগেডে পৌঁছন মোদী। মঞ্চে উঠেই তিনি প্রথমে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য দেন। এরপরই ঘটে সেই অভাবনীয় ঘটনা। উপস্থিত লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়ের দিকে মুখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে হাঁটু মুড়ে বসেন এবং তারপরই শুয়ে পড়ে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম সারেন! পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই ভিডিও পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘‘আমি পশ্চিমবঙ্গের জনশক্তির কাছে মাথানত করছি।’’

[TECHTARANGA-POST:8913]

বিজেপির ২০৭ আসনের এই জয় মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসাবে দেখা হচ্ছে। বাংলার মাটি জয় করতে তিনি যে কতটা আবেগপ্রবণ, তা বোঝা গিয়েছিল ভোটের ফল ঘোষণার দিনও, যখন দিল্লিতে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ‘বাঙালি’ সাজে ধরা দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাষ্টাঙ্গে প্রণামের মাধ্যমে মোদী কেবল বাংলার ভোটারদের নয়, বরং জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতাকেই প্রকাশ করলেন।

[TECHTARANGA-POST:8912]

এদিন মোদীর পাশে হুডখোলা গাড়িতে ছিলেন নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শপথ গ্রহণের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক ভিভিআইপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, জে পি নড্ডা থেকে শুরু করে যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরিরাও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিল মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী ও অগ্নিমিত্রা পালের মতো রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বও।

[TECHTARANGA-POST:8911]

কোনও দীর্ঘ বক্তৃতার পথে না হেঁটে মোদী এদিন কেবল তাঁর শরীরী ভাষা এবং শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মাধ্যমেই বাংলার মানুষের মন ছুঁয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রীর এই প্রণাম — সব মিলিয়ে এক হাই-ভোল্টেজ রাজনৈতিক আবহের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *