25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা কাঁওয়ার যাত্রীদের জন্য নবান্নর বাম্পার উপহার! এবার ক্লান্তি দূর করতে পথেই মিলবে ফুট মাসাজ
কলকাতা

কাঁওয়ার যাত্রীদের জন্য নবান্নর বাম্পার উপহার! এবার ক্লান্তি দূর করতে পথেই মিলবে ফুট মাসাজ

Share
কাঁওয়ার যাত্রীদের জন্য নবান্নর বাম্পার উপহার! এবার ক্লান্তি দূর করতে পথেই মিলবে ফুট মাসাজ
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: শ্রাবণ মাসের পবিত্র কাঁওয়ার যাত্রায় পুণ্যার্থীদের জন্য এবার নজিরবিহীন ও এলাহি বন্দোবস্ত করতে চলেছে রাজ্য সরকার। তারকেশ্বর, জল্পেশ কিংবা দেওঘরগামী লাখ লাখ শিবভক্তের সুবিধার্থে এবার খোদ নবান্নর তরফে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলিকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের দীর্ঘ পথ হাঁটার ক্লান্তি দূর করতে এবার যাত্রাপথেই মিলবে পেশাদার ‘ফুট মাসাজ’ বা পায়ের পরিচর্যার বিশেষ সুযোগ! নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং আরামদায়ক তীর্থযাত্রা নিশ্চিত করতে হুগলি, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসকদের একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

[TECHTARANGA-POST:10708]

নবান্ন সূত্রে খবর, এবার তীর্থযাত্রীদের পায়ের সুরক্ষায় সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কাঁওয়ার যাত্রার পুরো পুণ্যপথে প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর একটি করে ‘বিশেষ সেবা শিবির’ বা ফেসিলিটেশন ক্যাম্প গড়ে তুলতে হবে। এই শিবিরগুলিতে দীর্ঘ পথ হেঁটে আসা ক্লান্ত পুণ্যার্থীদের জন্য থাকবে পায়ের মাসাজ ও পরিচর্যার বিশেষ ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি হাঁটাহাঁটির জেরে পায়ে টান বা ব্যথার উপশমের জন্য পর্যাপ্ত পেইন কিলার স্প্রে, মরশুমি ফল, ভেজানো ছোলা, গুড় এবং বাতাসা-সহ হালকা পুষ্টিকর খাবার মজুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলার জন্য পৃথক ও নিপুণ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে এই রাজকীয় পরিষেবা দেওয়ার ব্লু-প্রিন্ট সাজাচ্ছে প্রশাসন।

[TECHTARANGA-POST:10707]

শুধুমাত্র মাসাজ বা খাবারই নয়, প্রতিটি সেবা শিবিরে পুণ্যার্থীদের জন্য থাকছে পরিচ্ছন্ন পানীয় জল, ওআরএস, আধুনিক শৌচাগার, মোবাইল টয়লেট এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা। যে কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ২৪ ঘণ্টা মজুত থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকল বাহিনী। তীব্র ভিড় সামলাতে পর্যাপ্ত আলো, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নবান্নের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে পুলিশ, স্বাস্থ্য, পূর্ত, পরিবহণ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের পাশাপাশি স্থানীয় পুরসভা, পঞ্চায়েত ও মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জেলাশাসকদের জরুরি সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো যাত্রাপথে যাতে কোনও যানজট না হয় এবং জরুরি গাড়ি নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হবে। জেলাশাসকদের ব্যক্তিগতভাবে এই মেগা আয়োজনের তদারকি করে দ্রুত রাজ্য সরকারের কাছে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *