অষ্টমীর জন্য পছন্দের শাড়ি তোলা থাকতেই পারে। কিন্তু পুজোর শুরুটা? পঞ্চমী, ষষ্ঠীর সকালে ঘোরাঘুরি, ঠাকুর দেখা বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অনেকেই চান আরামদায়ক পোশাক। আবার সাজগোজেও যেন থাকে উৎসবের ছোঁয়া। সেই জায়গায় কুর্তির সঙ্গে সুন্দর একটি ওড়না হতে পারে একেবারে পারফেক্ট কম্বিনেশন।
তবে শুধু পছন্দের ওড়না কাঁধে জড়ালেই তো হল না। ওড়নার রং, কাজ আর কাপড়ের সঙ্গে কুর্তির কাট ও রঙের মিল থাকাটাও জরুরি। কোন ওড়নার সঙ্গে কেমন কুর্তি পরলে সাজটা জমবে? রইল ৪টি সহজ জুটি।
[TECHTARANGA-POST:12324]
১. বেনারসি ওড়না
বেনারসি ওড়না নিজেই এতটা নজরকাড়া যে এর সঙ্গে বেশি কাজের কুর্তি পরলে গোটা সাজটাই ভারী দেখাতে পারে। তাই জরি বা জমকালো নকশায় ভরা এই ধরনের ওড়নার সঙ্গে একরঙা কুর্তিই সবচেয়ে ভালো মানায়। ওড়না যদি গাঢ় লাল, নীল, কালো বা গোলাপি হয়, তা হলে সাদা, অফ-হোয়াইট, ক্রিম বা হালকা গোলাপি কুর্তি বেছে নিতে পারেন।
২. চান্দেরি সিল্ক
হালকা, নরম এবং খানিকটা স্বচ্ছ বুননের চান্দেরি ওড়না পুজোর দিনের সাজে এনে দিতে পারে অন্যরকম মাত্রা। সাধারণত এই ধরনের ওড়নার রংও বেশ হালকা হয়। তাই এর সঙ্গে মেরুন, সবুজ, কালো বা অন্য কোনও গাঢ় রঙের কুর্তি পরলে দুইয়ের সামঞ্জস্য সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে।
৩. বাঁধনি ওড়না
বাঁধনি মানেই রং আর নকশার মজার খেলায় ভরা একটি লুক। টাই-ডাইয়ের কারণে একই ওড়নার মধ্যেই একাধিক রঙ দেখা যায়। তাই একেবারে সাদা বা বেইজ কুর্তির সঙ্গে পরলে যেমন স্মার্ট লাগবে, তেমনই একটু বেশি মানানসই সাজ চাইলে ওড়নার মধ্য থেকে কোনও একটি রং তুলে সেই শেডের কুর্তিও পরতে পারেন। তবে একসঙ্গে খুব বেশি প্রিন্ট বা রং যোগ না করাই ভালো।
৪. জরি, সিকুইন বা এমব্রয়ডারি ওড়না
সাধারণ কুর্তিকে এক নিমেষে উৎসবের পোশাকে বদলে দিতে চাইলে ভারী কাজের ওড়না সবচেয়ে সহজ উপায়। জরি, সিকুইন বা সূচিকর্মে ভরা ওড়নার সঙ্গে একেবারে একরঙের কুর্তি পরুন। তাতেই ওড়নাটা হয়ে উঠবে গোটা লুকের কেন্দ্রবিন্দু।
[TECHTARANGA-POST:12322]
সাজ সম্পূর্ণ হবে কীভাবে?
কুর্তি আর ওড়নার মিল ঠিকঠাক হলেও সাজটা সম্পূর্ণ হয় সঠিক গয়না ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিস বাছাইয়ে। তাই পোশাকের সঙ্গে মানানসই বড় দুল, আরামদায়ক জুতো এবং ব্যাগ বেছে নিন। ওড়না যদি খুব ভারী কাজের হয়, তা হলে গয়না একটু কম রাখুন। আবার একেবারে সাদামাটা পোশাক হলে নজরকাড়া কানের দুল পরেই সাজে আনতে পারেন উৎসবের আমেজ।
Leave a comment