কলকাতা: ক্রিকেটের মাঠে তিনি ‘মাস্টার ব্লাস্টার’, কোটি কোটি ভক্তের কাছে ক্রিকেটের ঈশ্বর। কিন্তু আর পাঁচটা সাধারণের মতোই মায়ের হাতের রান্নাই তাঁর প্রিয়। দুনিয়ার যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, মায়ের হাতের রান্নার সঙ্গে কোনও কিছুর তুলনা হয় না বলেই জানিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকার। ক্রিকেটের জন্য বছরের বেশিরভাগ সময় দেশ-বিদেশে কাটাতে হত তাঁকে। সবকিছু থাকলেও মায়ের হাতের তৈরি খাবার মিস করতেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়োর মাধ্যমে সেই পুরনো দিনের কথা ভাগ করে নিয়েছেন সচিন।
ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, সামনে ভাত, ডাল, আলুভাজা আর চিংড়ির পদ সাজানো রয়েছে। মায়ের রান্না করা খাবার খেতে খেতেই সচিন জানান, “আমি যখন আগে বিদেশে খেলতে যেতাম, তখন একটা জিনিস মিস করতাম। সেটা হল মায়ের হাতে তৈরি খাবার। ফেরার দু’তিন আগে মাকে ফোন করে দিতাম। বলতাম, এই খাবারগুলো বানিয়ে রাখবে। মায়ের মতো রান্না আর কেউ করতে পারবে না। এখন আর অতো ঘন ঘন রান্না করে না। পরে বাড়ির অনেকেই এই রান্না করার চেষ্টা করেছে। তবে ধারে কাছে আসতে পারেনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এটা হাত দিয়ে খেতে হবে।”
সচিনের এই পছন্দের খাবার তালিকায় রয়েছে ‘ভারান ভাত’, ‘বাটাটা ভাজি’ এবং ‘কোলাম্বি ভাজি’। এগুলি মূলত মহারাষ্ট্রের ঘরোয়া রান্নার পরিচিত পদ। অড়হর ডাল ও নরম ভাত দিয়ে তৈরি হয় ‘ভারান ভাত’। সচীনের মা নিজের রেসিপিতে ডালের সঙ্গে হলুদ, নুন ও প্রয়োজনীয় মশলা মেশান। অন্য দিকে, ‘বাটাটা ভাজি’ হল মহারাষ্ট্রীয় কায়দায় তৈরি আলুর পদ। এতকিছুর মধ্যে সচীনের থালায় নজর কেড়েছে চিংড়ির পদ ‘কোলাম্বি ভাজি’।
কীভাবে তৈরি করবেন ‘কোলাম্বি ভাজি’?
প্রথমে চিংড়ির সঙ্গে নুন, হলুদ ও লেবুর রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখুন। অন্য দিকে, কাটা পেঁয়াজ, টম্যাটো, আদা-লঙ্কা বাটা দিয়ে একটি মশলার মিশ্রণ তৈরি করুন। তাতে হলুদ, ধনে-জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা এবং মালবানি মশলা যোগ করতে পারেন। এতে স্বাদ আরও বাড়ে। এরপর চিংড়ি হালকা ভেজে মশলার সঙ্গে কষিয়ে নিন। চিংড়ি সেদ্ধ হয়ে এলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী জল দিয়ে পদটিকে শুকনো বা ঝোলের মতো করে নেওয়া যায়। সবশেষে ধনেপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করলেই তৈরি কোলাম্বি ভাজি।
Leave a comment