Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

অবশেষে 'মাইক্রো অবজারভার' নিয়োগে সবুজ সংকেত দিল নির্বাচন কমিশন

অবশেষে 'মাইক্রো অবজারভার' নিয়োগে সবুজ সংকেত দিল নির্বাচন কমিশন
ভারতীয় নির্বাচন কমিশন ভবন

অবশেষে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)-এর প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সংশোধন আরও স্বচ্ছ হবে বলেই মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ ‘বি’ বা তদূর্ধ্ব স্তরের আধিকারিকদের মধ্য থেকে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হবে। তাঁরা প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) অধীনে থেকে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন প্রক্রিয়ায় ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও স্পেশাল অবজারভারদের সহায়তা করবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাইক্রো অবজারভাররা BLO-দের ডিজিটাইজড এনুমারেশন ফর্ম যাচাই, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সঙ্গে ভোটার তালিকার তুলনা, দাবি ও আপত্তি সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা, শুনানি পর্যবেক্ষণ এবং ভোটার তালিকায় যে কোনো অসঙ্গতি শনাক্ত করবেন। পাশাপাশি তাঁদের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।


খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পর্যন্ত মাইক্রো অবজারভাররা নিযুক্ত থাকবেন। এই সময়ে তাঁদের অনুপস্থিতি “ডিউটিতে নিয়োজিত” হিসেবে গণ্য হবে। নিয়োগকালীন সময়ে তথ্য গোপনীয়তা বজায় রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রত্যেক মাইক্রো অবজারভারকে এককালীন ৩০ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং কোন বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁদের মোতায়েন করা হবে এই সমস্ত বিষয় রাজ্যের CEO দপ্তরই দেখভাল করবে।

এর আগে, SIR-এর দ্বিতীয় ধাপে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ভোটার তালিকা যাচাই ও শুনানি প্রক্রিয়া পুরোপুরি মাইক্রো অবজারভারদের তত্ত্বাবধানে আনা হোক এবং ১০০ শতাংশ প্রক্রিয়া CCTV নজরদারির আওতায় রাখা হোক।


নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ভোটার তালিকা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


বিষয় : পশ্চিমবঙ্গ মাইক্রো অবজারভার নির্বাচন কমিশন শুভেন্দু অধিকারী

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


অবশেষে 'মাইক্রো অবজারভার' নিয়োগে সবুজ সংকেত দিল নির্বাচন কমিশন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
অবশেষে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)-এর প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সংশোধন আরও স্বচ্ছ হবে বলেই মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ ‘বি’ বা তদূর্ধ্ব স্তরের আধিকারিকদের মধ্য থেকে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হবে। তাঁরা প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) অধীনে থেকে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন প্রক্রিয়ায় ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও স্পেশাল অবজারভারদের সহায়তা করবেন।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাইক্রো অবজারভাররা BLO-দের ডিজিটাইজড এনুমারেশন ফর্ম যাচাই, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সঙ্গে ভোটার তালিকার তুলনা, দাবি ও আপত্তি সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা, শুনানি পর্যবেক্ষণ এবং ভোটার তালিকায় যে কোনো অসঙ্গতি শনাক্ত করবেন। পাশাপাশি তাঁদের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পর্যন্ত মাইক্রো অবজারভাররা নিযুক্ত থাকবেন। এই সময়ে তাঁদের অনুপস্থিতি “ডিউটিতে নিয়োজিত” হিসেবে গণ্য হবে। নিয়োগকালীন সময়ে তথ্য গোপনীয়তা বজায় রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রত্যেক মাইক্রো অবজারভারকে এককালীন ৩০ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং কোন বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁদের মোতায়েন করা হবে এই সমস্ত বিষয় রাজ্যের CEO দপ্তরই দেখভাল করবে।এর আগে, SIR-এর দ্বিতীয় ধাপে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ভোটার তালিকা যাচাই ও শুনানি প্রক্রিয়া পুরোপুরি মাইক্রো অবজারভারদের তত্ত্বাবধানে আনা হোক এবং ১০০ শতাংশ প্রক্রিয়া CCTV নজরদারির আওতায় রাখা হোক।নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ভোটার তালিকা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার