নয়াদিল্লি: নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম ওঠার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় এবার আদালতে লিখিত জবাব জমা দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট-এ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সোনিয়া গান্ধীর কাউন্টার এফিডেভিটের বিষয়টি শুনবে আদালত।
এই রিভিশন পিটিশনটি দায়ের করেছেন আইনজীবী বিকাশ ত্রিপাঠী। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এই অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা ও তদন্তের আর্জি খারিজ করে দেয়। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বর্তমান রিভিশন পিটিশন।
পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালের ৩০ এপ্রিল ভারতের নাগরিকত্ব পান, অথচ তার আগেই—১৯৮০ সাল থেকে—তাঁর নাম নাকি নয়াদিল্লির ভোটার তালিকায় ছিল। সেই সূত্র ধরেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কীভাবে একজন বিদেশি নাগরিক ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকাভুক্ত হতে পারেন।
এছাড়াও পিটিশনারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৯৮২ সালে সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনও অনিয়ম না থাকলে নাম বাদ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত নথি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারী। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো বা অসংগত নথির মাধ্যমেই নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকতে পারে।
যদিও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছিল। এখন সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই রিভিশন পিটিশনের শুনানি চলছে। এই মামলায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আদালতে লিখিত বক্তব্য পেশ করলেন সোনিয়া গান্ধী।
আইনি মহলের নজর এখন ২১ ফেব্রুয়ারির শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে কী পর্যবেক্ষণ উঠে আসে, তার উপরই নির্ভর করবে এই বিতর্কিত মামলার পরবর্তী গতিপ্রকৃতি।
বিষয় : India Sonia Gandi

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন