দিল্লি: রাতের শান্ত পরিবেশ আচমকাই ভেঙে দিল ভূমিকম্পের কম্পন। শুক্রবার রাত ৯টা ৪২ মিনিট নাগাদ কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। শুধু দিল্লিই নয়, কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ অংশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়। বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অফিস, আবাসন—সব জায়গায় দেখা যায় হুড়োহুড়ি।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৯। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল আফগানিস্তান। ভূগর্ভের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎস। অক্ষাংশ ২৮.৬৮ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৭৬.৭২ ডিগ্রি পূর্বে এর অবস্থান বলে জানা গিয়েছে।
কম্পন অনুভূত হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেনি বলেই প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। তবে আচমকা এই কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত বৃহস্পতিবার দিল্লি, নয়ডা, গুরুগ্রাম ও হরিয়ানার বিভিন্ন অংশে কম্পন অনুভূত হয়েছিল। সেবার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঝাজ্জর এবং রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.৪। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই অঞ্চল অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় বারবার এই ধরনের কম্পন অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে, বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা বলছে, কলকাতাও সিসমিক ঝুঁকির বাইরে নয়। আইআইটি খড়গপুরের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, শহরটি সিসমিক জোন ৩ ও ৪-এর সীমানায় অবস্থিত। ফলে উত্তর বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পড়তে পারে কলকাতাতেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরের ভূগর্ভস্থ প্লেটগুলির মধ্যে ক্রমাগত নড়াচড়া চলতে থাকায় ভবিষ্যতে ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিষয় : India delhi Earth Quake

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন