কলকাতা: আর জি কর আবহে যে ফাটল তৈরি হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তা জোড়া লাগাল তৃণমূল কংগ্রেস। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক নেতা ডাঃ শান্তনু সেনের ওপর থেকে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল শাসক দল। রবিবার দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে ঘর গোছাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।[TECHTARANGA-POST:7693]আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন শান্তনু সেন। হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সরাসরি অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এমনকি দলের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। ফলস্বরূপ, তাঁকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়।[TECHTARANGA-POST:7684]সাসপেন্ড থাকাকালীন শান্তনু সেন অন্য কোনো দলে যোগ দেননি, বরং দলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলেন। এদিন তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, “দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ডাঃ শান্তনু সেনের সাসপেনশন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন থেকে তিনি দলের হয়ে সবরকম কাজ করতে পারবেন।”[TECHTARANGA-POST:7673]বিধানসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু সেনের মতো একজন পরিচিত মুখকে প্রচারে নামিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে চাইছে তৃণমূল। বিশেষ করে চিকিৎসক মহলে তাঁর প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আর জি করের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করবে ঘাসফুল শিবির, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার