তিনদিন ধরে ছাদে লুকানো মায়ের নিথর দেহ! পাচারের সময় হাতেনাতে পাকড়াও ‘গুণধর’ ছেলে
মালদহ শহরের বালুচর এলাকায় এক ভয়াবহ ও রহস্যজনক ঘটনার সাক্ষী থাকল স্থানীয় বাসিন্দারা। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ ছাদে লুকিয়ে রাখার পর, রাতের অন্ধকারে তা পাচারের চেষ্টা করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়লেন বড় ছেলে কৃষ্ণ দাস। এই ঘটনায় মালদহ জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।৫৫ বছর বয়সী লক্ষ্মী দাস দিন কয়েক ধরে নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার রাতে বাড়ির সমস্ত আলো নিভিয়ে হঠাৎই তিনতলার ছাদ থেকে কিছু একটা নামিয়ে আনার চেষ্টা করছিলেন বড় ছেলে কৃষ্ণ। অন্ধকারে সন্দেহ হওয়ায় প্রতিবেশীরা ইংরেজবাজার থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে উদ্ধার করে বৃদ্ধার পচাগলা দেহ।[TECHTARANGA-POST:7075]প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মৃতদেহটি অন্তত তিনদিন ধরে ছাদে ফেলে রাখা হয়েছিল। কিন্তু কেন এমন কাজ করলেন ছেলে? কেন মায়ের মৃত্যুর খবর কাউকে জানালেন না? পুলিশের মনে প্রশ্ন উঠছে— মাকে কি তবে খুন করা হয়েছে? সেই রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ বড় ছেলে কৃষ্ণ দাসকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।[TECHTARANGA-POST:7074]এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর পলি সরকারের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তিনি জানিয়েছেন, দুই ছেলেই প্রায় প্রতিদিন মদ্যপ অবস্থায় থাকতেন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করতেন। এমনকি বৃদ্ধা অসুস্থ থাকলেও ছেলেরা তাঁর দেখাশোনা করতেন না বলে অভিযোগ। দোল উৎসবের পর থেকেই বৃদ্ধা কার্যত একাই থাকতেন ওই বাড়িতে।[TECHTARANGA-POST:7073]পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে, এটি কি শুধুই অমানবিকতা নাকি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে বড় কোনো অপরাধ।