গ্যাংটক ও শিলিগুড়ি: ভারী বৃষ্টি ও ধসের জেরে লণ্ডভণ্ড উত্তর সিকিমের জনজীবন। গ্যাংটক থেকে লাচেন এবং চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে একাধিক জায়গায় বড়সড় ধস নামায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে উত্তর সিকিমের পথে আটকে পড়েছেন শতাধিক পর্যটক।[TECHTARANGA-POST:7571]জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় পর্যটকদের বড় একটি অংশ চুংথাংয়ে আটকে রয়েছেন। তাঁদের জন্য আইটিবিপি (ITBP) শিবির এবং স্থানীয় গুরুদ্বারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7559] তবে স্বস্তির খবর এই যে, লাচুংয়ের পথে নামা ধস ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সেখান থেকে পর্যটকরা ধীরে ধীরে গ্যাংটকে ফিরতে শুরু করেছেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চললেও আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের যাতায়াতে বিধিনিষেধ জারি থাকছে।[TECHTARANGA-POST:7570]সিকিমের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও দুর্যোগের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী ২৭ মার্চ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy to Very Heavy Rain) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ ও ২৯ মার্চ এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।[TECHTARANGA-POST:7555]পাহাড় ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার