পয়লা বৈশাখের পরের দিন কিছুটা স্বস্তি মিলেছিল। দমকা হাওয়া, আর ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে উধাও হয়েছিল গরম। শুক্রবার ফের রোদের ঝাঁঝ, ক্লান্ত দুপুর, গুমোট গরমে অস্বস্তি বাড়ল বঙ্গবাসীর। সকাল থেকেই রোদের তীব্র দাপট আর গুমোট গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। তবে এই হাঁসফাঁস করা অস্বস্তি থেকে মুক্তির বার্তা দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আজ বিকেলের দিকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ধেয়ে আসতে পারে বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— বিকেলের পর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাসে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সাধারণ মানুষ।[TECHTARANGA-POST:8075]আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকতে পারে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। শহর কলকাতায় হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। বাদ যাচ্ছে না উত্তরবঙ্গও; দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে কোচবিহার— উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব রাজস্থান থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখা এবং বাংলাদেশের ওপর থাকা একটি ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে, যার জেরেই এই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8078]তবে এই স্বস্তি কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী নয়। শনিবার ও রবিবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ বা নদিয়ায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হলেও, সপ্তাহের শুরু অর্থাৎ আগামী রবিবার থেকেই আবহাওয়ার ভোলবদল হবে। কমবে ঝড়ের দাপট, উল্টে চড়চড় করে বাড়বে তাপমাত্রা। বিশেষ করে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামের মতো জেলাগুলিতে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ও ভ্যাপসা গরম আবারও ফিরে আসবে। তাই বিকেলের এই ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টির পরশকে সম্বল করেই আগামী কয়েকটা দিন কাটাতে হবে বঙ্গবাসীকে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার