২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবারের শহিদ দিবস ঘিরে তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহ। দল ভাঙন, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ আর পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতির মাঝেই উঠে এল এক শহিদ পরিবারের আক্ষেপ যে অনুষ্ঠানের আর মাত্র দু'দিন বাকি, অথচ এখনও পৌঁছায়নি আমন্ত্রণপত্র।[TECHTARANGA-POST:11072]১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত হন সোনারপুরের যুব কংগ্রেস কর্মী রতন মণ্ডল। সেই সময় থেকে তাঁর পরিবার প্রতিবছর শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আসছে। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরও সেই ধারা বজায় ছিল। স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে দলীয় প্রতিনিধিরা আগেভাগেই তাঁদের বাড়িতে গিয়ে আমন্ত্রণ জানাতেন। কিন্তু এবার সেই চেনা ছবিটা বদলে গিয়েছে। রতন মণ্ডলের স্ত্রী মহারানী মণ্ডলের কথায়, এত বছর ধরে কখনও এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। এখনও পর্যন্ত কোনও আমন্ত্রণ না পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর আশা, হয়তো ডাক আসবে, আর সুযোগ পেলে আগের মতোই তিনি ধর্মতলার মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন।[TECHTARANGA-POST:11066]মহারানী বলেন, তাঁরা প্রথম দিন থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন। প্রতি বছর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। এবারও সেই ইচ্ছা রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি চান, রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে থাকুক এবং শহিদ পরিবারের প্রতি আগের মতোই সম্মান দেখানো হোক। ১৯৯৩ সালের সেই আন্দোলনের দিন মাঠের কাজ সেরে মহাকরণ অভিযানে গিয়েছিলেন রতন মণ্ডল। আর বাড়ি ফিরেছিলেন নিথর দেহ হয়ে। সেই স্মৃতি আজও আগলে রেখেছেন তাঁর পরিবার। প্রতি বছর ২১ জুলাই তাঁদের কাছে শুধুই রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, ব্যক্তিগত শোক আর গর্বের দিনও। তাই এবার আমন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তাঁদের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।#HSN #21July #ShahidDiwas #TMC #MamataBanerjee #Sonarpur #RatnaMondal #WestBengalPolitics #HiddenStoriesNews