নির্বাচন কমিশনের কায়দাতেই এবার দফা ভাগ করে প্রার্থিতালিকা প্রকাশের তোড়জোড় শুরু করেছে এআইসিসি (AICC)। সূত্রের খবর, প্রথম দফায় বাংলার ১০০টি আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এরপর আরও দুটি ধাপে বাকি প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে দল। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লি পাড়ি দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।[TECHTARANGA-POST:7272]গত সোমবার ও মঙ্গলবার বিধান ভবনে দফায় দফায় বৈঠক করেছে প্রদেশ নির্বাচন কমিটি ও স্ক্রিনিং কমিটি। দীর্ঘ ব্যবধানের পর সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরীও। জানা গিয়েছে, অধীর নিজেই প্রস্তাব দিয়েছেন যে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এআইসিসি এবং বর্তমান প্রদেশ সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।[TECHTARANGA-POST:7271]একটি সূত্রের দাবি, মুর্শিদাবাদ জেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা নিয়ে বাড়তি গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে। জেলা সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী সরাসরি রাজ্য নেতৃত্বকে তালিকা না পাঠিয়ে, গত বৈঠকের সময় পর্যবেক্ষক গোলাম মীরের হাতে একটি তালিকা তুলে দিয়েছেন স্বয়ং অধীর চৌধুরী। জল্পনা শোনা যাচ্ছে, সেই তালিকায় বিধানসভার প্রার্থী হিসেবে অধীর চৌধুরীর নামও থাকতে পারে।[TECHTARANGA-POST:7270]অন্যদিকে, প্রথম ১০০ জনের তালিকায় কংগ্রেসের ‘টপ প্লেয়ার’দের রাখা হতে পারে। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি ও বর্ধমানের আসনগুলো প্রথম তালিকায় থাকার সম্ভাবনা প্রবল। মালদহের ক্ষেত্রে মৌসম নুর এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম নিয়ে চর্চা চলছে।নিজের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে কৌশলী মন্তব্য করেছেন প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি পুরনো উক্তি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “২৯৪ আসনেই আমি প্রার্থী।” তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০ বছর পর দল একক শক্তিতে লড়াই করছে। হার-জিত যাই আসুক, সব দায়ভার তাঁর নিজের এবং তিনি প্রতিটি প্রার্থীর হয়েই লড়াই করবেন।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার