শেষ মুহূর্তের প্রত্যাবর্তন, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফের বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। এক গোল পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ব্যাক টু ব্যাক ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। নাটকীয় এই সেমিফাইনালে শেষ দিকে মেসির জাদুকরী দুই অ্যাসিস্টই গড়ে দেয় আলবিসেলেস্তেদের জয়। [TECHTARANGA-POST:10977]ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায়নি। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোল হজমের পর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণকে চাপে ফেলে তারা। ম্যাচ যখন ইংল্যান্ডের দিকেই হেলে পড়েছে বলে মনে হচ্ছিল, তখনই মঞ্চে হাজির হন লিওনেল মেসি। ৮৫ মিনিটে তাঁর নিখুঁত পাস থেকে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। আর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯২') মেসির দারুণ ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা শিবির। ৩৯ বছর বয়সী মেসির জন্য এটি হতে যাচ্ছে সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ। সেই মঞ্চেই তিনি আবারও দলকে তুললেন বিশ্বকাপের ফাইনালে। পুরো টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অবদান রেখে তিনি প্রমাণ করলেন, বয়স কেবলই একটি সংখ্যা। এই ম্যাচে দুই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের নতুন রেকর্ডও গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। [TECHTARANGA-POST:10970]এদিকে, দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে ভেঙে পড়ে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন। কোচ থমাস টুখেলের কৌশল এবং রক্ষণাত্মক বদলি নিয়ে ম্যাচ শেষে শুরু হয়েছে সমালোচনা। ১৯৬৬ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষা বাড়ল থ্রি লায়ন্সদের। এবারের ফাইনালে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। একদিকে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ, অন্যদিকে তরুণ লামিন ইয়ামালের স্পেন সব মিলিয়ে ফুটবল বিশ্বের চোখ এখন মহারণের দিকেই।