সব পদ ছেড়ে সোজা বিধানসভায়, ঋতব্রতের ঘরে বৈঠকে চন্দ্রিমা; তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?
তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি-সহ দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিধানসভায় পৌঁছে বিদ্রোহী শিবিরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে হওয়া এই বৈঠক ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10526]'ডিসি গ্লোবাল' থেকে কোটি টাকার লেনদেন! তদন্তেউঠে আসছে একের পর এক প্রভাবশালীর নামশনিবার দুপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে দলের সব পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন চন্দ্রিমা। তাঁর অভিযোগ, মেট্রোপলিটনের দলীয় কার্যালয়কে ঘিরে বিতর্কের জেরে মমতা তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। সেই আঘাত থেকেই তিনি রাজ্য সভাপতি-সহ দলের সমস্ত দায়িত্ব এবং অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।[TECHTARANGA-POST:10524] ইস্তফার কিছুক্ষণের মধ্যেই চন্দ্রিমা বিধানসভায় পৌঁছন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের একাধিক বিধায়ক। পরে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এই বৈঠকের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, তবে তিনি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের কথা ঘোষণা করেননি।[TECHTARANGA-POST:10554]বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চন্দ্রিমা বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকেই পা মেলাতে হয়।” তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে নানা ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।ন অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন মমতাপন্থী নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, কেউ যদি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়ার সময় যদি কোনও আপত্তি না থাকে, তাহলে এখন হঠাৎ ইস্তফার কারণ কী।