নয়াদিল্লি: চরম সঙ্কটের মুখে ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্র। জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের চাপে কার্যত নুয়ে পড়েছে দেশের একাধিক উড়ান সংস্থা। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে - দ্রুত কোনও ব্যবস্থা না নিলে দেশের অনেক বড় সংস্থার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানিয়ে এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে সংস্থাগুলির নিয়ন্ত্রক সংস্থা (Aviation Body)।[TECHTARANGA-POST:8495]সূত্রের খবর, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে পাঠানো এক আবেদনে সংস্থাগুলি জানিয়েছে, বর্তমানে বিমানের জ্বালানি বা এটিএফ (ATF)-এর দাম যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে লাভ তো দূরের কথা, দৈনিক উড়ান চালানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, একটি উড়ান সংস্থার মোট খরচের প্রায় ৪০ শতাংশই ব্যয় হয় জ্বালানির পিছনে। বর্তমান আন্তর্জাতিক অস্থিরতা এবং তেলের দামের ঊর্ধ্বগতির ফলে সেই খরচ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8492]সংস্থাগুলির দাবি, শুধু জ্বালানির দাম নয়, এর সঙ্গে যুক্ত উচ্চহারে কর কাঠামোও তাদের রক্তক্ষরণে অনুঘটকের কাজ করছে। যদি অবিলম্বে জ্বালানির দামে বিশেষ ছাড় বা করের বোঝা কমানো না হয়, তবে ছোট সংস্থাগুলির পাশাপাশি বড় সংস্থাগুলিও গণহারে উড়ান বাতিল করতে বাধ্য হবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ যাত্রীদের উপর - টিকিটের দাম হয়ে উঠতে পারে আকাশছোঁয়া।[TECHTARANGA-POST:8484]বিশেষজ্ঞদের মতে, এর আগে ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে রুট পরিবর্তন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের সীমাবদ্ধতাও এই সংস্থাগুলির উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করেছিল। দীর্ঘমেয়াদী এই সঙ্কটের সমাধান না হলে ভারতের বিমান পরিবহণ মানচিত্রে বড়সড় শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন দেখার, এই ‘বিপদবার্তা’ পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার উড়ান সংস্থাগুলিকে অক্সিজেন দিতে কোনও বিশেষ প্যাকেজ বা ত্রাণ ঘোষণা করে কিনা।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার