দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। উত্তর কাশীপুর থানার মাঝেরআইটে তৃণমূল কর্মীর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ছেলেগোয়ালিয়া এলাকায় মিলল ৯টি তাজা বোমা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি বাগানের ভেতর থেকে ব্যাগভর্তি এই বোমাগুলি উদ্ধার করে। [TECHTARANGA-POST:8440]এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গতকালের বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। অমিত শাহর মন্ত্রকের মতে, এর পিছনে কোনো বড়সড় নাশকতার ছক বা আন্তর্জাতিক যোগসূত্র থাকতে পারে, যা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এদিকে, নির্বাচন কমিশনও এই ঘটনায় কড়া অবস্থান নিয়ে রাজ্য পুলিশকে বিশেষ অভিযান চালানোর এবং বোমা তৈরির কারিগরদের অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8419]এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাঙড়ে তৃণমূল ও আইএসএফ-এর মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। আইএসএফ-এর অভিযোগ, ভোট বানচাল করতে এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে তৃণমূল কর্মীরাই এই বিপুল পরিমাণ বোমা মজুত করে রেখেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে, তাদের দলকে কালিমালিপ্ত করতে রাতের অন্ধকারে আইএসএফ কর্মীরাই এই কাজ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে এলাকায় উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশের পাশাপাশি বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া চলছে। ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে পর পর বোমা উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার