আর জি করের নিগৃহীতার মাকে সৌজন্যের বার্তা মমতার!
পানিহাটি: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি কেন্দ্রটি এখন আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। একদিকে তৃণমূলের পুরনো মুখ তীর্থঙ্কর ঘোষ, আর অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ - যিনি আর জি করের নিগৃহীতা চিকিৎসকের মা! বৃহস্পতিবার পানিহাটির আগরপাড়ায় জনসভা থেকে সেই বিজেপি প্রার্থীকেই নাম না করে ‘সৌজন্যের’ পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়![TECHTARANGA-POST:7918]বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন রত্না। তাঁর বেশ কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও হয়েছিল। এদিন পানিহাটির উষুমপুর বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন থেকে মমতা বলেন, “ভোটে কেউ প্রার্থী হলে তাঁর কথা বলার অধিকার আছে। কিন্তু, ভোট রাজনীতির অঙ্গ। আমি কাউকে কটূক্তি করব না। আপনারাও সৌজন্যের সীমারেখা রাখবেন।” রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচয় এবং তাঁর ঝাঁঝালো আক্রমণের মুখে মমতা অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নিলেন, যাতে ভোটারদের সহানুভূতি হাতছাড়া না হয়।[TECHTARANGA-POST:7917]অন্যদিকে, পানিহাটিতে বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছেন কলতান দাশগুপ্ত। যিনি আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বাম এবং বিজেপিকে একই বন্ধনীতে ফেলে আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, বিজেপির এখন সবথেকে বড় বন্ধু সিপিএম। তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রশ্ন, “সিপিএম এত অত্যাচার করল, এত রক্ত ঝরল, বিজেপি কেন তাদের বিরুদ্ধে সিবিআই দিল না?” তাঁর অভিযোগ, এই কেন্দ্রে বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থীর মধ্যে এক গোপন ‘সেটিং’ বা বোঝাপড়া রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7915]এদিনের সভা থেকে মমতা মনে করিয়ে দেন যে সন্তানদের শিক্ষা এবং বাংলার ইতিহাস ও সংস্কৃতি বাঁচাতে হলে তৃণমূল সরকারের কোনও বিকল্প নেই। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, “যে যতই নাটক বা ছলনা করুক, মনে রাখবেন আপনাদের দরকার তৃণমূল সরকার।”[TECHTARANGA-POST:7907]আর জি করের ছায়া পানিহাটির ইভিএমে কতটা পড়ে, আর মমতার এই ‘সৌজন্য রাজনীতি’ মানুষের মনে ঠাঁই পায় কিনা, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।