Hidden Stories (বাংলা)

শৌচাগারে তরুণীর আধপোড়া দেহ, দুই ভাইয়ের বয়ানে চরম অসঙ্গতি! এটি কি শুধুই মৃত্যু নাকি পরিকল্পিত খুন?

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের বাস্তু বিহার এলাকায় এক তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। শৌচাগার থেকে উদ্ধার হওয়া লিপিকা নামের ওই তরুণীর মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে এখন ধন্দে পুলিশ। বিশেষ করে মৃতার দুই ভাইয়ের পরস্পরবিরোধী বয়ান তদন্তকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।[TECHTARANGA-POST:7988]এলাকার বাসিন্দারা লিপিকাদের ঘর থেকে তীব্র পচা গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শৌচাগারের ভেতর থেকে লিপিকার আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গত ৮ এপ্রিল শৌচাগারেই লিপিকার মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, মৃত্যুর পর দীর্ঘ পাঁচ দিন দেহটি সেখানেই পড়ে ছিল। এরপর তাঁর বড় ভাই প্রণব দেহটি শ্মশানে না নিয়ে গিয়ে বালিশ, লেপ ও কম্বল দিয়ে শৌচাগারেই পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।[TECHTARANGA-POST:7978]মৃতার বড় দাদা প্রণবের দাবি, লিপিকা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং শারীরিক সমস্যার কারণে শৌচাগারে গিয়ে অচৈতন্য হয়ে মারা যান। কিন্তু পরিবারের কেউ সাহায্য করতে না আসায় এবং দেহে পচন ধরায় তিনি সেখানেই বোনকে দাহ করার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, ছোট ভাই প্রবুদ্ধর বয়ান সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি দাবি করেছেন, তিনি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না; বরং দিদির মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষকৃত্যের সরঞ্জাম নিয়ে এসেছিলেন, কিন্তু বড় দাদা তাঁকে জানান যে সৎকার সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, প্রবুদ্ধ নিজেও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে জানা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7971]দীর্ঘদিন একা থাকা ওই তরুণীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই স্পষ্ট হবে লিপিকার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। এই অমানবিক ও রহস্যময় ঘটনাটি ধানবাদ জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

শৌচাগারে তরুণীর আধপোড়া দেহ, দুই ভাইয়ের বয়ানে চরম অসঙ্গতি! এটি কি শুধুই মৃত্যু নাকি পরিকল্পিত খুন?

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার