যুদ্ধবিমান বনাম ড্রোন! কন্দহরের সেনাঘাঁটিতে পাক বায়ুসেনার বোমাবর্ষণ, পাল্টা হুঁশিয়ারি তালিবানের
নিজস্ব প্রতিনিধি: মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি এবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিচ্ছে দক্ষিণ এশিয়াও। ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব দিতে শনিবার মধ্যরাত থেকে আফগানিস্তানের কন্দহর-সহ একাধিক সেনাঘাঁটিতে লাগাতার বোমাবর্ষণ শুরু করেছে পাকিস্তান বায়ুসেনা। সংবাদমাধ্যম আল জাজ়িরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।[TECHTARANGA-POST:7315]পাক সেনার দাবি ও হামলা: পাকিস্তানের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে কোয়েটা ও রাওয়ালপিন্ডির মতো শহরে ড্রোন দিয়ে জোরালো হামলা চালাচ্ছে আফগানিস্তান। বেশ কিছু ড্রোন গুলি করে নামানো হলেও, তার ধ্বংসাবশেষে জখম হয়েছেন সাধারণ নাগরিক। এর পাল্টা হিসেবেই কন্দহর বিমানবন্দরের পাশের এলাকা এবং টিটিপি (TTP) জঙ্গিগোষ্ঠীর ডেরা লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ শুরু করেছে ইসলামাবাদ। নিরাপত্তার খাতিরে ইসলামাবাদের আকাশসীমাও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7299]আফগানিস্তানের পাল্টা আক্রমণ: আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছে, সংঘর্ষের সময় তারা পাকিস্তানের একটি সেনাচৌকি কব্জা করেছে এবং তাতে অন্তত ১৪ জন পাক সেনা নিহত হয়েছেন। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ অভিযোগ করেছেন যে, পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে জনবসতিপূর্ণ এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই আক্রমণ বন্ধ না হলে ইসলামাবাদ ও করাচির মতো বড় শহরগুলিতে পাল্টা আঘাত হানবে আফগানিস্তান।[TECHTARANGA-POST:7304]সংঘাতের প্রেক্ষাপট: গত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। পাকিস্তান সাফ জানিয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের ঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়া। অন্যদিকে, তালিবান সরকার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে সরব হয়েছে। দু’পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় গোটা সীমান্ত অঞ্চল এখন বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে।