বাবল টি-তে মজেছেন? সাবধান! ট্রেন্ডি পানীয়ের আড়ালে লুকিয়ে নেই তো বড় বিপদ?
রঙিন, আকর্ষণীয় আর সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয় বাবল টি এখন শহুরে লাইফস্টাইলের বড় একটি অংশ। কফিশপের মতোই নানা ফ্লেভারের এই পানীয় সহজেই নজর কাড়ছে তরুণদের। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা বলছে, এই ট্রেন্ডি পানীয় নিয়ে এবার একটু সতর্ক হওয়াও জরুরি।[TECHTARANGA-POST:6675]কিন্তু, কী এই “বাবল টি”? ১৯৮০-র দশকে তাইওয়ান -এ তৈরি হওয়া বাবল টি সাধারণত ব্ল্যাক টি, দুধ, চিনি এবং ট্যাপিওকা পার্ল (ক্যাসাভা থেকে তৈরি) দিয়ে বানানো হয়। নরম, চিবোনো যায় এমন পার্লই এই পানীয়ের বিশেষ আকর্ষণ। কেন সবার প্রিয় পানীয় হয়ে উঠছে অস্বাস্থ্যকর? মার্কিন সংস্থা কনসিউমার রিপোর্টস -এর এক তদন্তে United States-এ বিক্রি হওয়া কিছু বাবল টি-তে সিসার মাত্রা তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে। ট্যাপিওকা পার্ল তৈরিতে ব্যবহৃত ক্যাসাভা গাছ মাটি থেকে ভারী ধাতু সহজে শোষণ করতে পারে বলেই এই আশঙ্কা। ট্যাপিওকা পার্ল খুব বেশি স্টার্চযুক্ত হওয়ায় অপর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে খাবার হজমের গতি কমে যেতে পারে। এতে বমি, পেটব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের হজমের সমস্যা আগে থেকেই আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।[TECHTARANGA-POST:6673]২০২৩ সালে তাইওয়ান -এর একটি ঘটনা বাবল টি পানের ক্ষেত্রে সতর্ক বার্তা বহন করে। চিকিৎসকেরা এক তরুণীর শরীর থেকে ৩০০-রও বেশি কিডনি স্টোন বের করেন। জানা যায়, তিনি নিয়মিত জল না খেয়ে বাবল টি পান করতেন। অতিরিক্ত অক্সালেট ও ফসফেট কিডনি স্টোন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এটা ছিলো তারই একটি বিরল উদাহরণ। [TECHTARANGA-POST:6674]বিশেষজ্ঞদের মতে, একেবারে বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে প্রতিদিনের অভ্যাস না করে মাঝে মাঝে ট্রিট হিসেবে পান করাই ভালো।