নিজস্ব প্রতিনিধি: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশলে ফের বড়সড় চমক দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করলেন রাজ্যের নতুন জনমুখী প্রকল্প— ‘দুয়ারে স্বাস্থ্য’। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সাফল্যের পর এবার মানুষের বাড়ির দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি। এদিন শুধু পরিষেবা নয়, রাজনৈতিকভাবেও কর্মীদের চাঙ্গা করতে বড় বার্তা দেন নেত্রী। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তাঁর সাফ কথা, “প্রার্থী কে দেখার দরকার নেই, কাজ দেখে ভোট দিন। মনে রাখবেন, বাংলার ২৯৪টি আসনেই আমিই প্রার্থী।”[TECHTARANGA-POST:7953]এদিনের সভা থেকে কৃষকদের জন্য একাধিক আশ্বাসের ডালি সাজিয়ে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। আলু চাষিদের বিমা ও ফসল নষ্ট হলে আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে ফের সরব হন তিনি। মমতার অভিযোগ, বন্যার সময় কেন্দ্র সাহায্য করে না, অথচ বাংলার মাছ উৎপাদন আজ রেকর্ড ছুঁয়েছে। বিজেপিকে বিঁধে তাঁর ঘোষণা, “মানুষের খাদ্যাভ্যাসে নাক গলানোর অধিকার কারও নেই।” পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে-কমিশন কার্যকর করার প্রতিশ্রুতিও এদিন পুনরায় মনে করিয়ে দেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:7950]যুবসমাজের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক বাড়িতে পানীয় জল ও কাঁচা বাড়িকে পাকা বাড়িতে রূপান্তর করার ‘গ্যারান্টি’ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ফের ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “ভোটের সময় সব কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকে, এমনকি আমার সভার অনুমতি দিতেও দেরি করা হয়েছে।” বিরোধীদের ‘বিভাজনের রাজনীতি’ নিয়ে সতর্ক করে মহিলাদের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়েও এদিন সরব হন মমতা। সব শেষে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তাঁর বার্তা, “ওরা ভোটের আগে টাকা বিলি করে ভোট কেনার চেষ্টা করছে, অচেনা কাউকে ব্যাঙ্কের তথ্য দেবেন না।”
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার