Hidden Stories (বাংলা)

CJP Protest: মুখোশ পরে দেশবিরোধী শক্তি সক্রিয়! দিল্লির সিজেপি আন্দোলন নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন শমীক ভট্টাচার্য

কলকাতা: মহালয়ার পবিত্র সকালে বাগবাজার ঘাটে তর্পণের পর দিল্লির ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলনকে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজধানীতে সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং বিরোধী জোটের দিল্লি সফরকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি দাবি করেছেন, মুখোশের আড়ালে আসলে কিছু দেশবিরোধী শক্তি কাজ করছে। হতাশা থেকেই এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক আন্দোলন তৈরি করা হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।শনিবার সকালে বাগবাজার ঘাটে প্রথা মেনে তর্পণ পর্ব সারার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শমীক ভট্টাচার্য। দিল্লির যন্তর-মন্তরে সিজেপির আন্দোলন এবং কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া রাজধানী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে সবারই আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে যে আন্দোলন দানা বাঁধছে তা সম্পূর্ণ হতাশা থেকে উৎসারিত। তাঁর সাফ কথা, মৃত বা অপ্রাসঙ্গিক শক্তিগুলি আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারত সরকার গোটা পরিস্থিতির ওপর কঠোর নজরদারি রাখছে বলেও তিনি জানান। শমীকের অভিযোগ, এই আন্দোলনের নেপথ্যে মুখোশধারী দেশবিরোধী শক্তি সক্রিয় রয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যও তাদের হাতে রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:13525]এ দিন শুধু সিজেপি বা বিরোধী আন্দোলনই নয়, রাজ্যের শাসকদল এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন শমীক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎ এবং মমতার দিল্লি উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, একটি অর্ধমৃত দলের সঙ্গে আরেকটি মৃত দল হাত মিলিয়ে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা কখনওই সফল হবে না। সেই সঙ্গে দেবীপক্ষের সূচনা লগ্নে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে না থেকে দিল্লি চলে যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শমীক বলেন, দেবীপক্ষের এই শুভ দিনে তাঁরা চান মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাতেই থাকুন, বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু তৃণমূলের বড় বড় নেতারা এখন সব কোথায় উধাও হয়ে গেলেন, তা নিয়েও তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সেই আন্দোলন রুখতে দিল্লি জুড়ে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা থেকে শুরু করে হাজার হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করেছে প্রশাসন। এমনকী দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে এবং সৌরভ দাসদের আটক করা হয়েছে। রাজধানীর এই নজিরবিহীন কড়াকড়ির আবহেই শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে।

CJP Protest: মুখোশ পরে দেশবিরোধী শক্তি সক্রিয়! দিল্লির সিজেপি আন্দোলন নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন শমীক ভট্টাচার্য