নয়াদিল্লি: পদ্মাপাড়ে ভারতের নতুন মুখ হচ্ছেন বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে এই নিয়োগের খবর জানানো হয়েছে। প্রণয় বর্মার জায়গায় এবার ঢাকার দায়িত্ব বুঝে নেবেন বারাকপুরের প্রাক্তন এই সাংসদ। জল্পনা অনেক আগে থেকেই ছিল। তবে আজ তাতে সরকারি সিলমোহর দিল মোদী সরকার।[TECHTARANGA-POST:8463]বাংলাদেশে তারেক রহমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। মহম্মদ ইউনুসের জমানায় যে কট্টরপন্থার উত্থান হয়েছিল, তা মোকাবিলা করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই এখন দিল্লির প্রধান লক্ষ্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীনেশ ত্রিবেদী একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হওয়ার পাশাপাশি ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন এবং বঙ্গ সংস্কৃতি সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞান রয়েছে। ঢাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের জন্য ‘বাংলাভাষী’ এই দূতকেই তুরুপের তাস করল কেন্দ্র।[TECHTARANGA-POST:8457]ইউপিএ জমানায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রেলমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০২১ সালে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই এবার তাঁকে প্রতিবেশী দেশে বড়সড় কূটনৈতিক মিশনে পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি। আদতে গুজরাটি পরিবারের সন্তান হলেও বাংলার নাড়িনক্ষত্র তাঁর চেনা।[TECHTARANGA-POST:8438]শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে গত কয়েক মাসে বেশ কিছু কৌশলগত ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এই কঠিন সময়ে ঢাকার সঙ্গে নতুনভাবে মৈত্রীর ভিত গড়তে দীনেশের নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গের এক প্রাক্তন দাপুটে নেতাকে রাষ্ট্রদূতের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে মোদী সরকার শুধু কূটনীতিই নয়, ভোট-বাংলার বাসিন্দাদেরও এক বিশেষ রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইল।খুব শীঘ্রই ঢাকায় পৌঁছে নিজের নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন দীনেশ ত্রিবেদী। তারেক রহমান সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের রসায়ন তিনি কতটা মধুর করতে পারেন, সেটাই এখন দেখার।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার