মেয়ের হাত ধরে ভোট দিতে গিয়েছিলাম’, ভোটের সকালে তামান্নার স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ মা সাবিনা
কালীগঞ্জের অলিগলিতে এখন শুধু লড়াইয়ের মেজাজ, কিন্তু সেই লড়াইয়ের ময়দানে দাঁড়িয়েও আজ চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না সিপিএম প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। ২০২৪-এর উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিনে বোমাবাজিতে প্রাণ হারিয়েছিল তাঁর ছোট্ট মেয়ে তামান্না। [TECHTARANGA-POST:8506]সেই শহিদকন্যার মা এবার কাস্তে-হাতুড়ি চিহ্নে ওই আসনেই প্রার্থী হয়েছেন। প্রচারের ময়দানে তাঁকে ইস্পাতকঠিন দেখালোও, ভোটের সকালে মেয়ের স্মৃতিতে ডুব দিলেন সাবিনা। স্মৃতির পাতা উল্টে তিনি বললেন, “আগের বার তো মেয়ের হাত ধরে ভোট দিতে গিয়েছিলাম, আজ সব আছে শুধু ও-ই নেই।”[TECHTARANGA-POST:8520]২৪-এর সেই অভিশপ্ত ২৩ জুন তামান্নার মৃত্যু স্তব্ধ করে দিয়েছিল গোটা বাংলাকে। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু যাঁর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সময় তাঁকে ‘শহিদকন্যার মাতা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। এক সাধারণ গৃহবধূ থেকে রাজনীতির আঙিনায় উঠে আসা সাবিনা আজ দুর্দম সাহসের প্রতীক। তিনি সাফ জানালেন, প্রথমে অপরাধীদের শেষ করে দেওয়ার কথা মনে হলেও পরে তামান্নার বাবার কথায় আইনের পথে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন।[TECHTARANGA-POST:8511] তাঁর কথায়, “আল্লাহ আর তামান্না সবসময় আমার সঙ্গে আছেন, আর পাশে আছেন সেলিম সাহেব ও মীনাক্ষীর মতো লড়াকু সাথীরা।” কালীগঞ্জের বুথে বুথে ঘোরার সময় মেয়ের স্মৃতিই এখন সাবিনার একমাত্র পাথেয়। বিচারের আশা বুকে নিয়ে এক শোকাতুর মায়ের এই রাজনৈতিক লড়াই আজ বাংলার নির্বাচনের অন্যতম বড় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।