আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার প্রকাশিত হতে চলেছে নির্বাচনের সাপ্লিমেন্টারি বা পরিপূরক তালিকা। তার আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশিকার তোয়াক্কা না করেই খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে। তৃণমূলের দেওয়াল লিখন মোছাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, কোনও সরকারি দেওয়াল বা সম্পত্তিতে রাজনৈতিক প্রচার চালানো যাবে না। অভিযোগ, দুর্গাপুরের কলোনিপাড়া এলাকার একটি পোস্ট অফিসের দেওয়ালে তৃণমূল প্রার্থীর নাম লিখে প্রচার চালানো হচ্ছিল। এসডিও (SDO) অফিসের নির্দেশে সেই নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনকারী দেওয়াল লিখন মুছতে গিয়েছিলেন কমিশনের দুই কর্মী। আর তাতেই বাধে বিপত্তি।আক্রান্ত কর্মীদের দাবি, সরকারি নির্দেশ মেনেই তাঁরা দেওয়াল মোছার কাজ শেষ করে গাড়িতে উঠেছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের পথ আটকান এবং গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে মারধর শুরু করেন। আক্রান্ত এক কর্মী জানান, “আমরা বারবার বলেছি যে আমরা সরকারি ডিউটি করছি, এসডিও অফিস থেকে আমাদের পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ওরা কোনও কথা না শুনেই আমাদের ওপর চড়াও হয়।”মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, গোটা ঘটনাটি বিজেপির সাজানো। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির অভিজিৎ দে তাঁর দলবল নিয়ে এসে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দিতে দেওয়াল মুছছিলেন। ফলে ঘটনার মোড় এখন ‘আদি বনাম নব্য’ রাজনৈতিক তরজার দিকে ঘুরেছে।সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের ঠিক আগে খোদ সরকারি কর্মীদের ওপর এই হামলার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। বিরোধীদের দাবি, শাসক দল ভয় পেয়েই এখন কমিশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার