তেহরান: মাত্র একদিনের স্বস্তি কাটতে না কাটতেই ফের অশান্তির মেঘ পশ্চিম এশিয়ায়। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ফের বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরোধ করার কথা ঘোষণা করল ইরান। তেহরানের এই চরম সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। লেবানন-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির আবহে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা করেছিলেন, সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে একে স্বাগত জানালেও পরে সুর বদলান। ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আমেরিকার সঙ্গে যাবতীয় লেনদেন ১০০ শতাংশ মিটে না যাওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে ‘নৌ অবরোধ’ চালিয়ে যাবে ওয়াশিংটন।[TECHTARANGA-POST:8117]ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ইরানের সামরিক কমান্ড শনিবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকা তাদের শর্ত ভেঙেছে। ইরানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যতক্ষণ না ইরানে আগত সকল জাহাজের চলাচলের স্বাধীনতা আমেরিকা দিচ্ছে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালীর জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।” অর্থাৎ, লেবাননের যুদ্ধবিরতি চললেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে জাহাজ চলাচল এখন বিশ বাঁও জলে।[TECHTARANGA-POST:8060]হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান ধমনী। ইরান এই পথ বন্ধ করে দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির জোগান ব্যাহত হবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ভারত-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের অর্থনীতিতে। একদিকে ট্রাম্পের ‘পূর্ণ শক্তির নৌ অবরোধের’ হুমকি এবং অন্যদিকে মোজতবা খামেনেইয়ের দেশের অনড় মনোভাব - দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজছে মধ্যপ্রাচ্যে!
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার