এক নিমেষে আনন্দ উৎসব বিষাদে পরিণত হলো এক মর্মান্তিক নিষ্ঠুরতায়। সামান্য ক’টি রসগোল্লা বেশি খাওয়ার 'অপরাধে' ১১ বছরের এক বালককে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক ক্যাটারিং কর্মীর বিরুদ্ধে। গত বুধবার উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলার একটি গ্রামে এই পাশবিক ঘটনাটি ঘটেছে। বর্তমানে লখনউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যমে-মানুষে টানাটানি চলছে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র চমনের।[TECHTARANGA-POST:8083]জানা গিয়েছে, দিদার সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল চমন। কচিকাঁচা মনে আনন্দের কমতি ছিল না, ভালবেসে খাবারের স্টল থেকে একাধিক রসগোল্লা খেয়েছিল সে। কিন্তু এক ক্যাটারিং কর্মীর চোখে তা যেন ছিল এক মস্ত অপরাধ। অভিযোগ, প্রথমে ওই যুবক শিশুটিকে ধরে ভয় দেখায় এবং হুমকি দেয়। কিন্তু রাগের মাথায় তার পৈশাচিক রূপ বেরিয়ে আসে যখন সে বালকটিকে ধরে সোজা জ্বলন্ত তন্দুরের উনুনের মধ্যে ছুড়ে ফেলে দেয়। দাউদাউ আগুনে নিমেষে ঝলসে যায় শিশুটির শরীর।[TECHTARANGA-POST:8080]আর্তনাদ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় চমনকে উদ্ধার করেন। প্রথমে অযোধ্যা এবং পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে লখনউতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ক্যাটারিং কর্মী এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক যুবকের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। উৎসবের আবহে সামান্য খাবারের জন্য এমন অমানবিক ঘটনা সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার