নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে এবার ভারতের আকাশে জ্বালানি সংকটের ঘন কালো মেঘ। আর এই সংকট মোকাবিলায় আমজনতাকে জ্বালানি ব্যবহারে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হায়দরাবাদের এক অনুষ্ঠান থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ভারত যেহেতু প্রয়োজনের অধিকাংশ জ্বালানিই বিদেশ থেকে আমদানি করে, তাই এই মুহূর্তে পেট্রোল, ডিজেল বা রান্নার গ্যাস ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।[TECHTARANGA-POST:8971] প্রধানমন্ত্রীর মতে, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া আমদানিকৃত পেট্রোলিয়াম পণ্য ব্যবহার না করলে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, তেমনই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব থেকেও দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে কোপ বসানোর এই ‘পরামর্শ’ নতুন করে তেলের দামবৃদ্ধির জল্পনাকে উসকে দিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8970]প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই এবার রণংদেহি মেজাজে কংগ্রেস। হাত শিবিরের পক্ষ থেকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে জানানো হয়েছে, দেশকে সঠিক জ্বালানি সুরক্ষা দিতে মোদী সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাকে ‘নির্লজ্জ ও অনৈতিক’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, গত তিন মাস ধরে যুদ্ধ চললেও বিজেপি সরকারের কাছে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাই নেই।[TECHTARANGA-POST:8968] বেনুগোপালের কথায়, বৈশ্বিক এই সংকটে অর্থনীতিকে রক্ষা করার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ মানুষের ওপর দায় চাপিয়ে প্রধানমন্ত্রী আসলে নিজের সরকারের ব্যর্থতাই ঢাকছেন। জ্বালানি সংকট নিয়ে কেন্দ্র-বিরোধী এই বাকযুদ্ধ এখন জাতীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার