ঢাকা: পয়লা বৈশাখের আগেই কি আবার বাংলার পাতে ফিরবে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ? এমনই জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে দুই বাংলাতেই। কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত, দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর এবার সম্পর্কের বরফ গলতে পারে—আর তারই প্রতীক হতে পারে ‘ইলিশ কূটনীতি’।[TECHTARANGA-POST:7866]সোমবার ঢাকায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণীসম্পদমন্ত্রী মহম্মদ আমিন উর রশিদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশ রপ্তানি করে না। তবে সৌজন্য হিসেবে প্রতিবেশী দেশে সীমিত পরিমাণে ইলিশ পাঠানোর রীতি রয়েছে। এ বছর তা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন সরকার প্রধান তারেক রহমান।মন্ত্রী বলেন, “ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ করছে। উৎপাদন বাড়লে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে।”তবে কূটনৈতিক মহলের মতে, বিষয়টি শুধু মাছের বাজারে সীমাবদ্ধ নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে নতুন করে সম্পর্ক ‘রিক্যালিব্রেট’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, অতীতে দুর্গাপুজো বা বিশেষ উৎসবের সময় বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ পাঠানো হয়েছে ‘গুডউইল জেসচার’ হিসেবে। সেই ধারাই যদি পয়লা বৈশাখে ফের দেখা যায়, তাহলে তা হবে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তা।এদিকে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন করে গড়ে তুলতে আগ্রহী—এমন ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলেছে বিভিন্ন স্তরে। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে।[TECHTARANGA-POST:7859] সব মিলিয়ে, এখন নজর ঢাকার সিদ্ধান্তের দিকে। ইলিশ আদৌ সীমান্ত পেরোবে কি না, তা যতটা গুরুত্বপূর্ণ—তার চেয়েও বড় প্রশ্ন, এর মাধ্যমে কি সত্যিই দুই দেশের সম্পর্কে জমে থাকা বরফ গলতে শুরু করবে?
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার