বিশ্ব রাজনীতিতে ফের অস্থিরতার কালো মেঘ। একদিকে ইরান-আমেরিকা সংঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি— সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড়সড় ওলটপালট শুরু হতে চলেছে। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেনেট সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরানের থেকে তেল কেনার ওপর যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হচ্ছে না। অর্থাৎ, এতদিন ছাড়ের সুবিধা নিয়ে সস্তায় যে তেল ভারত আমদানি করছিল, সেই পথ এবার বন্ধ হতে চলেছে। ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কোনো দেশ যদি নিয়ম লঙ্ঘন করে ইরান থেকে তেল কেনে বা ব্যাঙ্কে ইরানের টাকা রাখে, তবে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে।[TECHTARANGA-POST:8044]ভারতের জন্য এই খবর যথেষ্ট উদ্বেগের। কারণ, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ভারত বড়লাংশে রুশ এবং ইরানি তেলের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। গত ৬ মার্চ থেকে পাওয়া সেই বিশেষ ছাড়ের সময়সীমা ইতিমধ্যেই পার হয়ে গিয়েছে। তার ওপর মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো ঝুলে রয়েছে হরমুজ প্রণালী নিয়ে জটিলতা। [TECHTARANGA-POST:8038]সমুদ্রপথের এই অচলাবস্থা কাটেনি, ফলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, ভারত এবার বিকল্প তেলের উৎস কোথায় পাবে? এতদিন আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের সাধারণ মানুষকে পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম বৃদ্ধি থেকে স্বস্তি দিয়েছিল সরকার। কিন্তু আমদানির পথ সীমিত হয়ে এলে এবং যোগান কমলে কি ফের বাড়তে চলেছে জ্বালানির দাম? মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়ার আশঙ্কায় এখন তোলপাড় আন্তর্জাতিক মহল। নয়াদিল্লি এই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবিলা করে, সেটাই এখন দেখার।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার