সকালে উঠেই মুঠো-মুঠো অ্যান্টাসিড খাচ্ছেন? এখনই বদলে ফেলুন এই অভ্যাস!
আজকাল কমবেশি সকলকেই হজমের সমস্যায় ভুগতে হয়। প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি খেয়ে ফেললে কিংবা তেলেভাজা মশলাদার খাবারের অভ্যাস সাধারণত হজমের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। আর এই সমস্যা এড়াতে আপনিও কি মুঠো-মুঠো অ্যান্টাসিডের সাহায্য নিচ্ছেন ? তবে এভাবে গলা-বুক জ্বালা বা হজমের সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ, এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে প্রথমেই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হবে। না হলে কোনওভাবেই পেটের রোগ সারবে না। [TECHTARANGA-POST:7902]অনেকেই আছেন, যাঁরা প্রায় রোজই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। আবার, অনেকেই আছেন যাঁরা ইন্টারনেট এর নানা টিপস দেখে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করছেন। ফলে বেলা ১২ টা বা ১টার আগে তাঁরা মুখে কিছুই তোলেন না। কিন্তু, যদি এমন কেউ হন যিনি সকালের দিকে নিয়মিত অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা বুকে অস্বস্তিকর জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যায় ভোগেন, তা হলে প্রাতরাশ না করাই এর কারণ হতে পারে।[TECHTARANGA-POST:7897]পাকস্থলী অ্যাসিড তৈরির জন্য কোনও নির্ধারিত সময়ের অপেক্ষা করে না। দিনের শুরুতে পাকস্থলী খাবার না পেলে, খাবারের প্রত্যাশায় খুব ভোরেই গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ শুরু করে দেয়। এটি আসলে শরীরের প্রাকৃতিক সার্কাডিয়ান রিদম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি প্রক্রিয়া। সকালে যখন পেটে কোনও খাবার আসে না, তখন সেই অ্যাসিডের কাজ করার মতো কিছুই থাকে না। খালি পাকস্থলীতে অ্যাসিড কেবল জমা হতে থাকে, যা মিউকোসাল লাইনিংকে উত্তেজিত করে। এর ফলেই অ্যাসিডিটির সাধারণ লক্ষণগুলি যেমন বুকজ্বালা, ঢেঁকুর, বমি বমি ভাব এবং মুখে টক স্বাদ সকালের দিকেই প্রকাশ পেতে শুরু করে।[TECHTARANGA-POST:7892]তাই, সকালে খালি পেটে থাকা চলবে না। বিশেষ করে যাঁরা বদহজমের সমস্যায় ভোগেন তাঁদের খালিপেটে থাকার অভ্যাস থাকলে, এখনই তা বদলান।। কিছুদিনের মধ্যেই দেখবেন অ্যাসিডিটির সমস্যায় আর মুঠো-মুঠো অ্যান্টাসিডের প্রয়োজন পড়ছে না।