ধোনি না পিকে, তামিলনাড়ুর প্রিয় ‘বিহারি’ কে? থলপতি বিজয়ের রাজকীয় উত্থানে নেপথ্য কারিগর সেই প্রশান্ত কিশোর!
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস লিখতে চলেছেন সুপারস্টার থলপতি বিজয়। প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমেই যেভাবে তিনি রাজ্য জয়ের দৌড়ে সবাইকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন, তার নেপথ্যে এক জাদুকরী মস্তিষ্ক কাজ করেছে— তিনি প্রশান্ত কিশোর। নিজের দল ‘জন সুরাজ’ নিয়ে বিহারের ময়দানে নেমে রাজনৈতিকভাবে হোঁচট খেলেও, পরামর্শদাতার পুরনো[TECHTARANGA-POST:8762] পেশায় ফিরতেই ফের ‘বাজিগর’ প্রমাণিত হলেন পিকে। গত এক বছর ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে বিজয়ের দল ‘তামিলনাগা ভেট্রি কাজাগাম’-এর জন্য নিভৃতে ঘুঁটি সাজিয়েছেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক জীবনের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে বিজয়কে বুঝিয়েছিলেন, শুধু গ্ল্যামার বা বড় জনসভা নয়, বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করাই আসল চাবিকাঠি। আজ ২৩০ আসনের বিধানসভায় ১০৫টিরও বেশি আসনে বিজয়ের এগিয়ে থাকা পিকের সেই রণকৌশলেরই ফল।[TECHTARANGA-POST:8755]মজার বিষয় হলো, এক বছর আগেই প্রশান্ত কিশোর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন যে তামিলনাড়ুতে এমএস ধোনির পর তিনিই হতে চলেছেন সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘বিহারি’। আজ বিজয়ের এই অভাবনীয় সাফল্য পিকের সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিল। নিজের ইমেজ এবং রাজনৈতিক ভিশন মানুষের কাছে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরার যে পাঠ পিকে বিজয়কে দিয়েছিলেন, তা দক্ষিণের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করল। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো দুই প্রধান শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিজয় যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে এগোচ্ছেন, তাতে পর্দার পেছনের নায়ক হিসেবে প্রশান্ত কিশোর আবারও প্রমাণ করলেন— মাঠের খেলোয়াড় হওয়ার চেয়ে ডাগ-আউটে বসে গেম-প্ল্যান সাজানোতেই তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।