কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ করে চালানো গুলির শিকার হয়েছিলেন তাঁর গাড়িচালক বুদ্ধদেব বেরাও। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শরীর থেকে বের করা হয়েছে সেই বুলেটগুলি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুদ্ধদেবের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হলেও অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। আপাতত তিনি চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন।[TECHTARANGA-POST:8852]বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় যে কতটা ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রমাণ দিচ্ছে চন্দ্রনাথের রক্তমাখা গাড়িটি। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গাড়ির চালকের আসন এবং পাশের আসন — উভয় জায়গাতেই রক্তের পুরু স্তর জমে রয়েছে! চালকের আসনে বসেই গুলির মুখে পড়েছিলেন বুদ্ধদেব! মনে করা হচ্ছে, ঘাতকদের মূল লক্ষ্য ছিলেন চন্দ্রনাথই। কিন্তু, সেই ঘাতক হামলা থেকে রক্ষা পাননি তাঁর গাড়ির চালকও। ফরেনসিক আধিকারিকরা গাড়িটির ভিতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করেছেন।[TECHTARANGA-POST:8805]অন্যদিকে, নিহত চন্দ্রনাথ রথের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বারাসত মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে এবং ভিতরে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসেনা। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষ হলেই দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। বিজেপি নেতা-কর্মী এবং চন্দ্রনাথের স্বজনরা হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমিয়েছেন।[TECHTARANGA-POST:8841]মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ার ঘটনাস্থলটি এখনও পুলিশি ব্যারিকেডে ঘিরে রাখা হয়েছে। স্থানীয় মানুষ বা বাইরের কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এলাকাটি পাহারা দিচ্ছেন। তদন্তকারী ‘সিট’ মনে করছে, গাড়ির ভিতরে থাকা রক্তের দাগ এবং বুলেটের অভিমুখ বিশ্লেষণ করলে আততায়ীদের উচ্চতা এবং গুলির অ্যাঙ্গেল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।[TECHTARANGA-POST:8819]এখন গোটা রাজ্যের নজর বাইপাসের সেই হাসপাতালের দিকে। বুদ্ধদেব বেরা সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁর বয়ানই হতে পারে এই রহস্যভেদের প্রধান চাবিকাঠি। ঘাতকদের চিনতে কি সাহায্য করতে পারবেন তিনি? উত্তর খুঁজছে প্রশাসন।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার