প্যান্ডেল হপিংয়ে সাজও হবে, আরামও থাকবে! পুজোর ফ্যাশনে কেন নজর কাড়ছে ধনেখালি কাফতান?
পুজোর ক’টা দিন মানেই যেন বিশ্রামের ফুরসত নেই। সকাল হতেই বেরিয়ে পড়া, এক মণ্ডপ থেকে আর এক মণ্ডপে ছুটে বেড়ানো, সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা। সব মিলিয়ে দিনটা কেটে যায় দারুণ ব্যস্ততায়। তার সঙ্গে ভিড় আর গরম থাকায় এমন পোশাকই দরকার, যাতে সাজের সঙ্গে স্বস্তিটাও বজায় থাকে। তাই এ বার শাড়ির পাশাপাশি পুজোর পোশাকের তালিকায় রাখতে পারেন ধনেখালি কাফতান। [TECHTARANGA-POST:12381]ধনেখালি তাঁতের কাপড়ের আরাম বাঙালির অচেনা নয়। শাড়িতে এই কাপড়ের জনপ্রিয়তা বহুদিনের। তবে শাড়ি পরতে স্বচ্ছন্দ নন যাঁরা, তাঁদের জন্য কাফতান হতে পারে সহজ বিকল্প। ঢিলেঢালা কাটের কারণে হাঁটাচলা থেকে প্যান্ডেল হপিং, সবেতেই বেশ স্বচ্ছন্দে থাকা যায়। এখন বাজারে সাদা-লাল পাড়ের ধনেখালি কাফতান বেশ নজর কাড়ছে। অনলাইন এবং দোকান, দুই জায়গাতেই বিভিন্ন ডিজাইনের এই পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। দামের ক্ষেত্রেও খুব বেশি খরচ পড়ছে না। অনেক জায়গায় প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যেই মিলছে। কাফতানের সবচেয়ে বড় সুবিধা অবশ্য তার ঢিলেঢালা গঠন। শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে না বলে দীর্ঘক্ষণ পরেও অস্বস্তি তুলনামূলক কম। শরীরের গড়ন নিয়ে যাঁদের একটু সংশয় থাকে, তাঁরাও এই ধরনের পোশাকে স্বচ্ছন্দ বোধ করতে পারেন। [TECHTARANGA-POST:12380]তবে, শুধু আরামের জন্যই কাফতানের জনপ্রিয়তা নয়। বলিউডের একাধিক তারকাকেও নানা সময়ে এই পোশাকে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে পুজোর মতো ব্যস্ত দিনে এই পোশাক বেশ সুবিধাজনকl। আলাদা করে সাজগোজের খুব বেশি ঝামেলা না করেও কাফতানের সঙ্গে ঝুমকা, চুড়ি, ছোট ব্যাগ আর আরামদায়ক জুতো মিলিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় পুজো লুক। চাইলে কোমরে বেল্ট দিয়েও কাফতানের গড়ন বদলে নিতে পারেন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্যও কাফতান একটা আরামদায়ক অপশন হতে পারে। শরীরের উপর বাড়তি চাপ না দিয়ে উৎসবের সাজটাও বজায় রাখা যায়।