কলকাতা: পাকিস্তানকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি! দেশের ৮০ শতাংশ পুরুষ সমকামী এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী—এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ট্রান্স অধিকারকর্মী হেনা বালোচ। আর এই মন্তব্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হেনা দাবি করেন, পাকিস্তানে যৌনতা নিয়ে এক ধরনের ‘নীরব বাস্তবতা’ রয়েছে, যা সবাই জানে কিন্তু কেউ প্রকাশ্যে বলতে চায় না। তাঁর কথায়, সমাজ, ধর্ম এবং পারিবারিক চাপে মানুষ নিজের প্রকৃত পরিচয় লুকিয়ে রাখে। আর সেখান থেকেই তাঁর এই দাবি—দেশের অধিকাংশ পুরুষই সমকামী, বাকিরা উভকামী।[TECHTARANGA-POST:7796]এই মন্তব্য সামনে আসতেই দুই মেরুতে ভাগ হয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়া। একদল বলছে—এটাই বাস্তব, শুধু মুখে স্বীকার করা হয় না। অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি—এটি সম্পূর্ণ অতিরঞ্জিত এবং তথ্যহীন মন্তব্য।উল্লেখ্য, পাকিস্তানে সমকামিতা আইনত অপরাধ এবং সামাজিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ফলে এই ধরনের বক্তব্য স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়িয়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, এই মন্তব্য আসলে সমাজের এক চাপা পড়ে থাকা দিক তুলে ধরেছে।হেনা বালোচ নিজেকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে পরিচয় দেন। ছোটবেলা থেকেই নানা বৈষম্য, নির্যাতন এবং সামাজিক বঞ্চনার মধ্যে দিয়ে বড় হয়েছেন তিনি। পাকিস্তানে ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের জীবনযাপন এখনও কঠিন—ভিক্ষাবৃত্তি বা পারফরম্যান্স-নির্ভর কাজই অনেকের প্রধান ভরসা। সেই বাস্তবতার মধ্যেই লড়াই করে উঠে এসেছেন হেনা।এলজিবিটিকিউ অধিকারের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে একাধিকবার হুমকির মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। পরবর্তীতে বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পান এবং সেখান থেকেই নিজের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—হেনার এই দাবি কি বাস্তবতার প্রতিফলন, নাকি শুধুই অতিরঞ্জিত বক্তব্য?[TECHTARANGA-POST:7793]একথা নিশ্চিত— এই মন্তব্য পাকিস্তানের সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার