কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের 'মাওবাদী মুক্ত ভারত' গড়ার লক্ষ্যে এক বিশাল সাফল্য এল রবিবার সকালে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বেঁধে দেওয়া ৩১ মার্চের সময়সীমার আগেই বড়সড় ভাঙন ধরল মাওবাদী শিবিরে। তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন সিপিআই(মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক দেবুজি ওরফে টি তিরুপতি এবং শীর্ষ নেতা রাজা রেড্ডি-সহ মোট ১৬ জন মাওবাদী। মাওবাদী আন্দোলনের বর্তমান চার প্রধান মুখের অন্যতম ছিলেন এই দেবুজি, যার মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা।[TECHTARANGA-POST:6704]দ্বিতীয় মোদি সরকারের আমলে যৌথবাহিনীর লাগাতার অভিযানে ইতিমধ্যেই কোণঠাসা সশস্ত্র বিপ্লবীরা। কয়েক দিন আগেই ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলে এনকাউন্টারে পুরুলিয়ার সুরেন্দ্রনাথ সরেন-সহ ১৭ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছিল। তারও আগে ছত্তিশগড়ে খতম করা হয়েছিল কুখ্যাত নেতা মাধবী হিডমাকে। গত বছর শীর্ষ নেতা বাসবরাজুর মৃত্যুর পর সংগঠন যখন ছত্রভঙ্গ, তখন হাল ধরেছিলেন এই দেবুজিই। তাঁর এই আত্মসমর্পণ মাওবাদী আন্দোলনের কফিনে শেষ পেরেক বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।[TECHTARANGA-POST:6698]স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের লক্ষ্য অনুযায়ী, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করতে মরিয়া প্রশাসন। এখন বাহিনীর প্রধান টার্গেট বাংলার মিসির বেসরা এবং তেলেঙ্গানার লক্ষ্ণণরাও ওরফে গণপতি। দেবুজি ও রাজা রেড্ডির মতো হেভিওয়েট নেতাদের আত্মসমর্পণের ফলে দেশে সশস্ত্র মাওবাদী বিপ্লবের ইতি ঘটার প্রক্রিয়া যে আরও ত্বরান্বিত হলো, তা বলাই বাহুল্য।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার