Hidden Stories (বাংলা)

সুপ্রিম কোর্ট থেকে ট্রাইবুনাল, সব রায়ই 'নস্যি'! বুথ থেকে 'দূর ছাই' করে ফেরত পাঠানো হল নন্দলাল বসুর নাতি ও তাঁর স্ত্রীকে!

বোলপুর: দেশের সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ ছিল, পাশে ছিল ট্রাইবুনালের রায়ও। কিন্তু, তারপরও স্রেফ লালফিতের ফাঁসে বন্দি থেকে গেল গণতন্ত্রের উৎসব! শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে না পেরেই চোখে জল নিয়ে বুথ থেকে ফিরতে হল কিংবদন্তী চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি ও তাঁর স্ত্রীকে। প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় এই অশীতিপর দম্পতির ভোটাধিকার প্রয়োগের লড়াই থমকে গেল বোলপুরের এক ভোটগ্রহণকেন্দ্রে।[TECHTARANGA-POST:8310]চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং তাঁর স্ত্রী দীপা সেনের নাম 'এসআইআর' প্রক্রিয়ার পর ভোটারতালিকা থেকে বাদ চলে গিয়েছিল। নাম ফিরে পাওয়ার জন্য তাঁরা ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। গত এপ্রিলের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, এই দম্পতিকে যেন সম্পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় ওঠার কথা থাকলেও, বাস্তব চিত্রটা দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন।[TECHTARANGA-POST:8308]বৃহস্পতিবার বোলপুরের সংশ্লিষ্ট বুথে ভোট দিতে পৌঁছেছিলেন বৃদ্ধ দম্পতি। কিন্তু, সেখানে পৌঁছতেই তাঁদের জানানো হয়, ভোটারতালিকায় তাঁদের নাম নেই! এরপর সুপ্রবুদ্ধবাবু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কপি দেখালেও, বুথ আধিকারিকরা সেটির মুদ্রিত অংশ দাবি করেন! এমনকী, রায়ের প্রিন্ট আউট জমা দেওয়ার পরেও মেলেনি সুরাহা! অভিযোগ, তাঁদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে - সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে![TECHTARANGA-POST:8305]বোলপুর থেকে সিউড়ি গিয়ে এই বয়সে নতুন করে অনুমতি নিয়ে আসার ধকল নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা ছিল না তাঁদের। প্রশাসনের এই খামখেয়ালি আচরণে ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত সুপ্রবুদ্ধবাবুরা শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই ফিরে যান। স্থানীয় মহলের প্রশ্ন, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ আদালত হস্তক্ষেপ করছে, সেখানে সামান্য বুথস্তরের জটিলতায় কেন দুই নাগরিককে তাঁদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হল?

সুপ্রিম কোর্ট থেকে ট্রাইবুনাল, সব রায়ই 'নস্যি'! বুথ থেকে 'দূর ছাই' করে ফেরত পাঠানো হল নন্দলাল বসুর নাতি ও তাঁর স্ত্রীকে!

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার