কলকাতা: রাজ্যে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর এখন কোটি টাকার প্রশ্ন হল - কে বসছেন বাংলার মসনদে? এই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অন্যতম ব্যক্তি তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার সকালে মেদিনীপুর থেকে কলকাতায় পৌঁছতেই রাজনৈতিক পারদ চড়ল কয়েক গুণ। সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে আসার পথে তাঁকে ঘিরে কর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, মেদিনীপুরে শুভেন্দুর আদি বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’র নিরাপত্তা হঠাৎ বহুগুণ বাড়িয়ে দিল রাজ্য পুলিশ।[TECHTARANGA-POST:8798]সোমবার রাতেই ভবানীপুর থেকে মেদিনীপুরে ফিরেছিলেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফের শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং বড়দের প্রণাম জানান। সল্টলেকে দলীয় দফতরে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুরলীধর সেন রোডে বিজেপির পুরনো অফিসেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।[TECHTARANGA-POST:8786]রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গে পদ্ম ফোটানোর প্রধান কারিগর এই শুভেন্দুই। মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে তাঁর এগিয়ে থাকার পেছনে রয়েছে একাধিক জোরালো কারণ। যথা - শুভেন্দু একই সঙ্গে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর - দুই হেভিওয়েট কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছেন। বিশেষ করে ভবানীপুরে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাছাড়া, তৃণমূলের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করা এবং কর্মীদের মনে আত্মবিশ্বাস ফেরানোর অন্যতম মুখও তিনি। উপরন্তু, বিরোধী দলনেতা হিসাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের বড় অংশের আস্থা রয়েছে তাঁর উপর।[TECHTARANGA-POST:8774]মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটাতে আজ অথবা আগামিকালই রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর উপস্থিতিতেই পরিষদীয় দলের বৈঠকে ঠিক হবে বিধানসভায় শাসকদলের দলনেতা কে হবেন। আগামী ২৫ বৈশাখ (৯ মে) শপথগ্রহণের দিন স্থির হলেও, ‘শান্তিকুঞ্জ’র নিরাপত্তা বৃদ্ধি কি শুভেন্দুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কোনও আগাম ইঙ্গিত? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার প্রতিটি প্রান্তে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার