তৃণমূলের সঙ্গে সংঘাত, মাঝরাস্তায় চেয়ার পেতে ধর্নায় হুমায়ুন কবীর
মুর্শিদাবাদের নওদায় ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ১৭৩ নম্বর বুথ এলাকা। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের এজেন্টকে বুথে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। [TECHTARANGA-POST:8308]হুমায়ুন কবীর নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তৃণমূল সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর অনুগামীদের তুমুল ধস্তাধস্তি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়। প্রতিবাদে মেজাজ হারিয়ে মাঝরাস্তায় চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নওদা ছেড়ে তিনি কোথাও যাবেন না। আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি তিনি হুঙ্কার ছেড়ে বলেন, “৪ মে সব হিসাব হবে।”[TECHTARANGA-POST:8296]অন্যদিকে, তৃণমূলের নওদা ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন হুমায়ুনের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, বুধবার রাতে যারা এলাকায় বোমাবাজি করেছে এবং তৃণমূল কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, তাঁদের নিয়েই ভোটের সকালে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের অভিযোগ, এজেন্টকে বাধা দেওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ সাজানো; বরং অশান্তি পাকাতেই হুমায়ুন এই রণকৌশল নিয়েছেন। একদিকে রাস্তার মাঝে হুমায়ুনের ধর্না, আর অন্যদিকে শাসকদলের পাল্টা প্রতিরোধের জেরে নওদায় এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।