Astrology Tips: পিতৃপক্ষ শুরুর আগেই বাড়ি থেকে সরান এই ৫ জিনিস, নাহলেই ঘনাবে চরম অশুভ অমঙ্গল?
কলকাতা: দুর্গাপুজোর দিন গোনার মাঝেই দুয়ারে উপস্থিত পিতৃপক্ষ। শাস্ত্রমতে, পিতৃপক্ষ হল পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা, তর্পণ ও পিণ্ডদান নিবেদনের পুণ্য সময়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময় পিতৃপুরুষেরা মর্ত্যে নেমে আসেন এবং বংশধরদের গৃহের স্থূল ও সূক্ষ্ম শক্তি পরীক্ষা করেন। শাস্ত্রীয় মতে, ঘরের পরিবেশ কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, এটি শক্তির এক বিশাল আধার। তাই সেখানে যদি কোনো জীর্ণতা, পাপাচার বা স্থবিরতা জমা হয়ে থাকে, তবে তা পূর্বপুরুষদের আত্মাকে ক্লিষ্ট করে। শুভ ফল পেতে এবং পিতৃপুরুষদের প্রীতি অর্জনে পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই গৃহ থেকে কয়েকটি বিশেষ বস্তু দ্রুত অপসারণ করার পরম পরামর্শ দিচ্ছেন শাস্ত্রজ্ঞেরা।সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, দেবালয় বা ঠাকুরঘর হলো পবিত্রমণ্ডলের মূল কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে কোনো খণ্ডিত প্রতিমা বা ছেঁড়া-ফাটা ছবি রাখা একেবারেই অনুচিত, কারণ তা শক্তির ইতিবাচক সংযোগকে চরমভাবে ব্যাহত করে। অন্যদিকে বন্ধ হয়ে থাকা ঘড়ি মূলত সময় ও জীবনশক্তির স্থবিরতার প্রতীক। যেহেতু তর্পণের প্রধান উদ্দেশ্যই হল আত্মার সদগতি দান করা, তাই গৃহে বন্ধ ঘড়ি রাখা অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। এটি দ্রুত সচল করা বা বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন।রান্নাঘরে রাখা চিড় ধরা কিংবা ভাঙা থালা-বাসন দারিদ্র্য ও শক্তির অপচয়ের বার্তা নিয়ে আসে। অন্ন পূর্ণতার প্রতীক হওয়ায় অকেজো পাত্র অবিলম্বে পরিত্যাগ করা উচিত। এর পাশাপাশি জং ধরা লোহা বা ক্ষয়প্রাপ্ত ধাতব বস্তু তামসিক শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়। পূর্বপুরুষদের আবাহনে সত্ত্বগুণের প্রাধান্য প্রয়োজন হয়, তাই মরচে ধরা ধাতু ঘরে থাকলে তর্পণের পূর্ণ পুণ্যফল প্রাপ্তিতে বাধা তৈরি হতে পারে।গাছ হলো প্রকৃতি ও সচল জীবনের প্রতীক। গৃহে রাখা শুকিয়ে যাওয়া বা মরে যাওয়া উদ্ভিদ জীবনের গতিহীনতাকে নির্দেশ করে। তাই পিতৃপক্ষের শুভ সূচনায় শুকনো শাখা ও পচে যাওয়া পাতা ছেঁটে ফেলে ঘরে সজীবতার সঞ্চার করা আবশ্যক। পরিশেষে, ঘরের আনাচে-কানাচে জমে থাকা অনাবশ্যক জঞ্জাল সরিয়ে পরিবেশকে উন্মুক্ত ও নির্মল করে তোলাই পিতৃপুরুষদের সন্তুষ্ট রাখার সেরা উপায়।[TECHTARANGA-POST:13059]