Hidden Stories (বাংলা)

Jhargram Durga Puja: রাজনীতির চর্চা থেকে পুজোর থিমে ঝালমুড়ি! মণ্ডপজুড়ে ফিরছে বাঙালির নস্টালজিয়া

বাঙালির সান্ধ্যকালীন আড্ডা হোক বা ট্রেনযাত্রা, ঝালমুড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক টুকরো নস্টালজিয়া। এবার এই ঝালমুড়িই জায়গা করে নিচ্ছে পুজোর মণ্ডপে। ঝালমুড়ি তাও আবার মণ্ডপে? ভেবে অবাক হচ্ছেন তো, যে কার মাথা থেকে এরম একটা ভাবনা এল? ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঝাড়গ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুহূর্তেই ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমকুমার সাউ ওরফে ‘বিহারীবাবু’ও জনপ্রিয়তা পেয়ে যান। আর তারপরই রাজনীতির পাশাপাশি ঝালমুড়ি নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়ে যায়। তবে গিধনি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোক্তাদের দাবি, তাঁদের থিমের সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। [TECHTARANGA-POST:13037]চলতি বছরে ঝাড়গ্রামের গিধনি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো ৮২ বছরে পা দিচ্ছে। এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন প্রায় ৫০০ জন সদস্য। প্রতি বছরই বিশেষ কোনও ভাবনাকে মাথায় রেখে তাঁরা মণ্ডপ সাজান। এবার সেই জায়গা দখল করেছে ঝালমুড়ি। মণ্ডপে ঢুকতেই নজরে পড়বে প্রায় ছ’ফুট উঁচু দু’টি বিশাল ঠোঙা। তার উপরে থাকবে কাঁচালঙ্কা আর লেবুর সাজ। শুধু ঠোঙা নয়, ট্রেনে যেভাবে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে দেখা যায়, সেই দৃশ্যকেও মণ্ডপের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রায় দু’হাজার টিন ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে মুড়ির বিশাল পাত্র। আরও বড় চমক অপেক্ষা করছে মণ্ডপের ভিতরে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেখানে প্রায় ১০ হাজার ঝালমুড়ির ঠোঙা ঝোলানো হবে। শিল্পীর আশা, এই মণ্ডপ দেখে দর্শকদের ঝালমুড়ি খাওয়ার ইচ্ছেটা আরও দ্বিগুণ হয়ে যাবে। উদ্যোক্তাদের কথায়, এই থিমের পিছনে রয়েছে বিশেষ একটি বার্তা। ঝালমুড়ি বিক্রি করে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই এর মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তাও তুলে ধরা সম্ভব। পাশাপাশি মণ্ডপ তৈরিতে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

Jhargram Durga Puja: রাজনীতির চর্চা থেকে পুজোর থিমে ঝালমুড়ি! মণ্ডপজুড়ে ফিরছে বাঙালির নস্টালজিয়া