Hidden Stories (বাংলা)

চিরঘুমে বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’, অবসান এক দীর্ঘ বর্ণময় অধ্যায়ের

কলকাতা: নিভে গেল বঙ্গ রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। প্রয়াত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ৭২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। গত কয়েক বছর ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানান, "বাবা অনেক লড়াইয়েই জিতেছিলেন, কিন্তু এই মরণজয়ী লড়াইয়ে হেরে গেলেন।" পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সেনাপতি ছিলেন মুকুল রায়। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০১১-র ক্ষমতা দখল— দলের সংগঠন সাজাতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার ছিল। তাঁকে বলা হতো বাংলার রাজনীতির ‘চাণক্য’। একসময় রেলমন্ত্রক ও জাহাজ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলানো এই দুঁদে রাজনীতিবিদের দাপট ছিল প্রশ্নাতীত।এক নজরে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা:তৃণমূলের কারিগর: দলের সংগঠন বিস্তার ও বুথ স্তরে শক্তি বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা।প্রশাসনিক দায়িত্ব: দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ও জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।রাজনৈতিক মোড়: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এবং কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া।ঘরওয়াপাসি: ২০২১ সালে ফের পুরনো দল তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড হিসেবে একসময় গোটা রাজ্য সামলেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে। আদর্শগত বিভেদ থাকলেও বাংলার রাজনীতির অলিগলি যাঁর নখদর্পণে ছিল, সেই কৌশলী জননেতার প্রয়াণে তৈরি হলো এক বিশাল শূন্যস্থান।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

চিরঘুমে বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’, অবসান এক দীর্ঘ বর্ণময় অধ্যায়ের

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার