ব্যাঙ্ক জালিয়াতি এবং বিপুল পরিমাণ ঋণ খেলাপির অভিযোগে কাঠগড়ায় অনিল আম্বানি। কিন্তু এফআইআর দায়ের হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি? সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্ন উঠতেই এড়িয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকার। শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘এই ধরনের প্রশ্নের কোনো উত্তর দেওয়া যায় না।’ অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার কোটিরও বেশি টাকার জালিয়াতির অভিযোগে প্রাক্তন আমলা ইএএস শর্মার দায়ের করা মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালতে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হলো তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে।[TECHTARANGA-POST:8653]শুনানিতে মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ তোলেন যে, ইডি এবং সিবিআই তাদের স্ট্যাটাস রিপোর্টে অনিল আম্বানিকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করলেও বাস্তবে কোনো কড়া পদক্ষেপ করা হয়নি। এর জবাবে সলিসিটর জেনারেল জানান, তদন্তকারী সংস্থাগুলি তাদের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু কেন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, তার জবাব দেওয়া সম্ভব নয়। এদিকে ইডির রিপোর্টে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, ২৯৮৩ কোটির বকেয়া ঋণ মাত্র ২৬ কোটির বিনিময়ে মিটিয়ে নিয়েছেন অনিল আম্বানি। আইনের ফাঁক গলে এই বিপুল ছাড় পাওয়ার ঘটনায় রীতিমতো তাজ্জব হয়ে গেছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট।[TECHTARANGA-POST:8635]গোটা ঘটনায় ইডি এবং সিবিআইকে তদন্তের গতি বাড়ানোর কড়া নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বচ্ছ ও পক্ষপাতমুক্ত তদন্ত শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে 'Project Help' কর্মসূচির আড়ালে যেভাবে নামমাত্র টাকার বিনিময়ে ঋণের নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জালিয়াতির এই বিশাল অঙ্কের হিসেবে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রভাবশালী যোগসূত্র বা বড় কোনো দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হয় কি না, এখন সেটাই দেখার।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার