Hidden Stories (বাংলা)

‘বহুদিন পার হয়ে গিয়েছে, এবার তাড়াতাড়ি ফয়সালা করুন!’ নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি মমতার, জোড়া লাগল বিধায়কদের বিস্ফোরক বয়ানও!

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক এবং তহবিল কার দখলে থাকবে, সেই বহুল চর্চিত মামলার নিষ্পত্তি নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনকে চরম বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে পুরো এক মাস অতিক্রান্ত হলেও কমিশনের তরফে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় আগস্টের শেষ দিনে দিল্লির নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি পাঠালেন তিনি। তাঁর সাফ বার্তা, অনেক সময় পেরিয়ে গিয়েছে, এবার যেন দ্রুত এই বিবাদের মীমাংসা করা হয়। সূত্রের খবর, এই চিঠির সঙ্গে কয়েকজন দলীয় বিধায়কের বয়ানও সংযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে তাঁদের ভুল পথে চালিত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর থেকেই ভাঙনের মুখে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকাংশ বিধায়ক দল ছেড়ে যোগ দেন নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল দাবি করা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে এবং দিল্লিতেও সাংসদদের বড় অংশ দলত্যাগ করেন। এরপরেই ঘাসফুল প্রতীক ও দলীয় তহবিলের রাশ ধরে রাখতে কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবিরের আইনি লড়াই শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দরবারে। জুলাইয়ের মধ্যে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের হয়ে মহুয়া মৈত্র, সাগরিকা ঘোষরা সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জমা দিলেও ঋতব্রত শিবির অতিরিক্ত সময় চেয়ে নেয়, যা নিয়ে শুরু থেকেই তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছিল মমতা শিবির। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ১৫ অগস্টের মধ্যে নিষ্পত্তির ইঙ্গিত দিলেও মাস শেষ হতে চললেও কোনো অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি।সেই দীর্ঘসূত্রিতার বিরুদ্ধেই আগস্টের শেষ দিনে ফের সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের কাছে পাঠানো মমতার চিঠিতে বিধায়কদের অভিযোগ যুক্ত থাকায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ঋতব্রত শিবির থেকে ফের বিধায়করা কালীঘাটের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন? সেই সংখ্যাটাই বা কত এবং এর ফলে দল ও প্রতীকের রাশ শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে শুরু হয়েছে জোরদার জল্পনা।[TECHTARANGA-POST:12151]হিডেন স্টোরিজ নিউজ

‘বহুদিন পার হয়ে গিয়েছে, এবার তাড়াতাড়ি ফয়সালা করুন!’ নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি মমতার, জোড়া লাগল বিধায়কদের বিস্ফোরক বয়ানও!