Vishwakarma Puja 2026: বিশ্বকর্মা পুজো মানেই ১৭ সেপ্টেম্বর! তবে এবার কেন বদলাল সেই চেনা হিসাব, জেনে নিন কারণ
বাঙালির কাছে বিশ্বকর্মা পুজো মানেই যেন দুর্গাপুজোর আগমনী বার্তা। আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি, পাড়ায় পাড়ায় উৎসবের আমেজ, ছোটবেলার কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই দিনটির সঙ্গে। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আগমনেই যেন বোঝা যায়, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব আর বেশি দূরে নেই।[TECHTARANGA-POST:12644]সাধারণত প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বরই বিশ্বকর্মা পুজো হয়। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো বা সরস্বতীপুজোর মতো উৎসবের দিন চাঁদের তিথি অনুযায়ী বদলে যায়। কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজোর তারিখ নিয়ে এমনটা খুব একটা দেখা যায় না। তাই বাঙালির কাছে ১৭ সেপ্টেম্বর আর বিশ্বকর্মা পুজো প্রায় সমার্থক হয়ে উঠেছে। কিন্তু ২০২৬ সালে সেই চেনা হিসাবেই এসেছে বদল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ১৮ সেপ্টেম্বর। প্রশ্ন হল, কেন একদিন পিছিয়ে গেল বিশ্বকর্মা পুজো?এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে এই পুজোর দিন নির্ধারণের পদ্ধতিতেই। হিন্দু ধর্মের বহু উৎসবের দিন চন্দ্রের অবস্থান ও তিথির হিসাব মেনে ঠিক হয়। কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজোর ক্ষেত্রে মূল গুরুত্ব সূর্যের রাশিচক্রে অবস্থানের। সূর্য যখন সিংহ রাশি ছেড়ে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে, তখনই হয় কন্যা সংক্রান্তি। এই সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করেই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নির্ধারিত হয়। এই কারণেই ইংরেজি ক্যালেন্ডারে পুজোর তারিখটি বেশিরভাগ বছর একই থাকে।[TECHTARANGA-POST:12642]২০২৬ সালেও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সূর্যের কন্যা রাশিতে প্রবেশের সময় এবং বাংলা পঞ্জিকার দিনের হিসাব মিলিয়ে এ বছর বিশ্বকর্মা পুজোর তারিখ নিয়ে বদল এসেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রথমে ১৭ সেপ্টেম্বর ছুটি ঘোষণা করেছিল। পরে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পড়ছে। সেই অনুযায়ী এইদিন রাজ্য সরকারি দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে অবশ্য শুধু ধর্মীয় আচারই জড়িয়ে নেই। কারখানা, ওয়ার্কশপ, দোকান, গ্যারাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের পুজো করার রীতিও এই উৎসবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।